আপনার স্বাস্থ্য

ডাঃ হেলাল কামালি

হরমোন- ২য় পর্ব ( Hormone Part- ২ )

Human growth hormon (বৃদ্ধি পোষক হরমোন )
( ৬ হতে ৯ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারেন যদি একটু খেয়াল করেন )

gr 1Supported & Reference from:- Dr Domingoঃ- University Hospitals Bristol NHS Trust / England: Society for Endocrinology/ Professor David Ray, University of Manchester / Department of Endocrinology, Bangladesh Institute of Research & Rehabilitation – Ibrahim Medical College – Alternatives to Human Growth Hormone HGH– Created by H.Kamaly


Growth hormone ( গ্রোথ হরমোন ) বা শরীর বৃদ্ধি কারক হরমোন/Human growth hormone–
Human Grouth hormone (H. G.H ) বা গ্রোথ হরমোন বা বৃদ্ধি পোষক হরমোন:-HGH হরমোন পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং ইহা তৈরি হয় মানুষের মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্ল্যান্ডের সোমাট্রোপ কোষ হতে । ( সোমাটোট্রপিন এবং রিকমবিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি গ্রোথ হরমোনকে সোমাট্রপিন বলে।) এর অন্য নাম পলি পেপ্টাইড হরমোন ।
গ্রোথ হরমোনের মুল কাজ কি? H. G.H. বা গ্রোথ হরমোন বা বৃদ্ধি পোষক হরমোন:- HGH হরমোন পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় । HGH হরমোনের কাজ হল : মানবদেহের তথা প্রাণীদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি করা – অস্থি ও তরুনাস্থির দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি করা – শর্করা, প্রোটিন ও ফ্যাট বিপাকে সাহায্য করা – এই হরমোনের কম ক্ষরণে বামনত্ব বা ডোয়ারফিজম এবং অধিক ক্ষরণে অতিকায়ত্ব বা জাইগ্যানটিজম বা অ্যাক্রোমেগালি রোগ হওয়া ( বেশী লম্বা হওয়া )
গ্রোথ হরমোনের  অভাব দেখা দিলে ঃ-
পিটুইটারি গ্ল্যান্ড থেকে স্বল্প পরিমাণে অথবা একেবারেই গ্রোথ হরমোন নিঃসৃত না হওয়া। এ অবস্থা জন্মের সময় থেকে অথবা জন্মের পর হতে পারে, যেমন অস্বাভাবিক পিটুইটারি গ্ল্যান্ড থেকে চাহিদার তুলনায় কম পরিমাণে গ্রোথ হরমোন তৈরি হয়। এ ছাড়া মস্তিষ্কের সংক্রমণ টিউমার, ক্ষত, পিটুইটারি এলাকায় অস্ত্রোপচার, রেডিয়েশন ইত্যাদির কারণেও হরমোনের অভাব দেখা দিতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই গ্রোথ হরমোনের অভাবের কারণ খুঁজে নাও পাওয়া যেতে পারে। মাতৃগর্ভে থাকাকালে হরমোন কম নিঃসৃত হওয়ায় কোষ সঠিকভাবে তৈরি না হলে পরবর্তী জীবনে পিটুইটারি গ্রন্থি সংকুচিত হয়। হঠাৎ অত্যধিক রক্তক্ষরণ হলে গ্রোথ হরমোন কমে যেতে পার । ইহা হরমোন ক্যালসিয়াম ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে হাড়কে মজবুত করে এবং সোডিয়াম ও পটাশিয়াম ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে খনিজ পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়। শরীরে মাংসপেশির পরিমাণ বাড়ায় ও চর্বি ভেঙে প্রোটিন তৈরি করে কোষের বৃদ্ধি ঘটায়। একমাত্র মস্থিস্ক ব্যতীত সকল অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বৃদ্ধি ঘটায়। প্রাপ্তবয়স্কদের মস্তিষ্কের প্রতিনিয়ত ক্ষয় হয় এই হরমোনের অভাবে ।
গ্রোথ হরমোনের অভাবে শরিরের যে সমস্যা দেখা দেয় ঃ- উচ্চতায় খাটো, বয়সের তুলনায় ধীরগতিতে উচ্চতা বৃদ্ধি, কোমরের আশপাশে চর্বির পরিমাণ বৃদ্ধি, সমবয়সীদের তুলনায় ছোট দেখানো, দাঁতের পরিপূর্ণতা প্রাপ্তি বিলম্বিত হওয়া, বিলম্বিত বয়ঃসন্ধিকাল, কাজকর্মে, ব্যায়াম করার সময় শক্তি না পাওয়া, মাংসপেশির বৃদ্ধি না হওয়া, হীনম্মন্যতায় ভোগা, পাতলা এবং শুষ্ক চামড়া। ফিজিওলজির দৃষ্টিতে ঃ- শারীরবৃত্তীয় উপাদানের পরিবর্তন, শরীরের (বিশেষ করে কোমরের চারপাশে) চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়, মাংসপেশির শক্তি কমে যায়, ক্লান্তি ভর করে এবং যৌনক্ষমতা ও ইচ্ছা কমে যায়। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যায়, , অবসাদ পেয়ে বসে। রক্তের কোলেস্টেরলের পরিবর্তন ঘটে। এলডিএলের পরিমাণ এইচডিএলের পরিমাণের চেয়ে বেড়ে যায়। এ ছাড়া রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা কিনা রক্তনালি বন্ধ করে দিতে পারে। গরম ও ঠান্ডা উভয়ই বেশি পরিমাণে অনুভূত হয় তখন হৃদরোগের আশঙ্কা বেড়ে যায় ।
অন্য দিকে কিছু সামাজিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে ঃ যেমন হীনম্মন্যতা বা চিন্তাশক্তি কমতে থাকে , বিয়ে না হওয়া, মানসিক অশান্তি, কটূক্তি-টিপ্পনী শোনা।
কিছু অসুখ ও গ্রোথ হরমোনের কার্যকারিতা কমায় , টারনার সিনড্রম, প্রাডার উইলি সিনড্রম ( যেসব শিশু গর্ভকাল পূর্ণ না করেই জন্মে ) , ইডিওপ্যাথিক শর্ট স্ট্যাচু (অজানা কারণে খাটো আকৃতি), বংশগত কারণ এবং কিডনির অকার্যকারিতা ইত্যাদি ।

লম্বা বা বেঁটে হওয়ার কারন এবং ৬ হতে ৯ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারেন যদি একটু খেয়াল করেন ( বয়স ১৮/১৯ ভিতর হতে হবে ) ঃ-
প্রকৃত পক্ষে-মানুষ লম্বা বা বেঁটে হওয়া নির্ভর করে বংশগত বৈশিষ্ট্যের ওপর যেমন বাবা ও মায়ের ক্রোমোজোম এবং বংশগত কারণ ছাড়াও গ্রোথ হরমোনের ঘাটতির কারনে মানুষ বেঁটে হতে দেখা যায় । জেনিটিক সাইন্স অনুসারে গ্রোথ হরমোন মস্তিষ্কের পিট্যুইটারি গ্রন্থি থেকে যদি পর্যাপ্ত পরিমান তৈরি না হয় তা হলে উচ্চতা হ্রাস পায় একেবারে কম তৈরি হলে মানুষ একদম বামনের মত হয়ে যায় কথা টি সত্য বা প্রমানিত । তবে এর সাথে উক্ত শিশুর অন্যান্য কিছু লক্ষণ প্রকাশিত হয় ।ঠিক তদ্রুপ এই হরমোনের বাড়তির কারণে মানুষের অস্থির লম্বা বৃদ্ধি পেয়ে অনেক টা উচু বা সুপারি গাছের মত লম্বা হয়ে থাকে । যদি কোন কারন বসত মানুশের অস্থি তৈরীর কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর ও এই হরমোন বেশি হয় তখন মানুষ গেরিলার মত চেপ্টা হাড়যুক্ত মানুষের সৃষ্টি হয়। ইহাই বাস্তব নিয়ম । অন্যদিকে মেয়েদের তুলনায় চেলেরা লম্বা হওয়ার কারন জেনেটিক ছাড়া ও পুরুষদের শরীরে অ্যাড্রোজেন ৮% বেশী নিঃসরণ হয় সে জন্য । তা ছাড়া ও পরিবেশ এবং থাইরেয়েড গ্রন্থি থেকে বেরোনো থাইরক্সিন ও ট্রাই-আয়োডো-থাইরোনিন হরমোনের উপর কিছুটা প্রভাব বিদ্যমান ২% ।
বিশেষজ্ঞদের পরিক্ষা অনুসারে যা দেখা যায় বা তাথে প্রমানিত হয় যে , আপনি যদি আপনার বংশগত কারণে বেঁটে হয়ে থাকেন , তারপর ও আর ৬ / ৯ ইঞ্ছি পর্যন্ত লম্বা হতে পারবেন একজন হরমোন ও জেনেটিক বিশেষজ্ঞের পরামর্ষে । অর্থাৎ ৮০% লম্বা হবেন মা বাবা বা বংশগত কারণে এবং বাকি ২০% ( ৫/১ অনুসারে ) ১ ফুট লম্বা হতে পারবেন । এর থেকে যদি আর ৬ ইঞ্চি বাদ দেন পরিবেষ এবং অন্যান্য কারণে তারপর ও আর ৬ ইঞ্চি উচ্চতা বাড়াতে পারেন গ্রোথ হরমোনের পরিমান বাড়িয়ে – ( জেনিটিক থিওরি টি মুলত এই রকম এবং এখানে পরিবেষ বলতে বিজিয়েছি- জলবায়ু , সুষম খাবার , ব্যায়াম ্‌ ঘুম ইত্যাদি কে একত্রে করে । বংশ গত দিকে আরেক টি বিষয় বেশির ভাগ পরিলক্ষিত হয় , বাবার উচ্চতা – ৫ ইঞ্চি অথবা + মায়ের উচ্চতা = মেয়ের উচ্চতা । মায়ের উচ্চতা +৫ ইঞ্চি অথবা + পিতার উচ্চতা= ছেলের উচ্চতা বিবেচনা করা হয় জেনেটিক সুত্রের অন্য এক সুত্রে । তবে সকল ক্ষেত্রে যে তা হবে সেটা ও ঠিক নয় নয় । জন্মের পর থেকে ২ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু অবস্থায় বছরে ২০ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এরপর এই হার কমে আসে এবং ৫/৬ বছর বয়স পর্যন্ত এই হার বছরে ১০-১২ সেন্টিমিটার। ৬/৭ বছরে আরও কমে বছরে ৫-৬ সেন্টিমিটার হারে বাড়ে। আবার বয়ঃসন্ধিকালে হঠাৎ করেই লম্বা হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় এবং বছরে ১০-১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়তে থাকে। ১৪/১৫ বছরের পর থেকে বৃদ্ধির হার আবারও কমতে থাকে, সে সময় ১ সেন্টিমিটার হারে বেড়ে চলে ১৯ থেকে ২১ বছর বয়স পর্যন্ত। তবে গড়ে ১৮ বছর পর আর উচ্চতা ব্রিদ্দি পায়না , সে জন্য ১৪-১৬ বছরের ভিতরেই লম্বা হওয়ার চিন্তা করতে হয় বা যদি কেউ চান আরেক টু লম্বা হতে তখন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্ষ নেওয়া উচিৎ । যদি ও হরমোনের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি সংক্রান্ত মাত্রা পদ্ধতি খুব কার্যকর, বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিত যে এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ! তারপর ও পুস্টি , জেনেটিক এবং হরমোন বিশেষজ্ঞ ছাড়া কার ও পরামর্ষে এই হরমোন জাতীয় ঔষধ ব্যাবহার সম্পূর্ণ রুপে উচিৎ নয় । ( কারন মাত্রারিক্ত হরমোনের ব্যাবহারে ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার সম্বাভনা আছেই , সে জন্য আপানর চিকিৎসক বিশেষ কিছু প্যাথলজিক্যাল পরিক্ষা শেষ করে আপনার জন্য ভাল মন্দ পরামর্ষ দিতে পারেন ) সেই সাথে নিম্নের নিয়ম সমুহ পালন করলে ফিজিওলজিকেল কারণে প্রাকৃতিক ভাবে গ্রোথ হরমোন কিছু টা বেশী নিঃসরণ হয় বা অনেকের ৬ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে দেখা যায় – যেমন বেশী পরিমাণ ক্যালরি, প্রোটিন, খনিজ পদার্থ এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন খাদ্যাভ্যাস যা নতুন কোষ এবং হাড় নির্মাণ ‘উপকরণ’ এবং সেলের গঠন নির্মাণে সহায়তা করে এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে গ্রোথ এবং ডেভলাপমেন্টের কাজ আর বেশী ব্রিদ্দি পায় বলে অনেক কে এ সময় ৬ ইঞ্চি পর্যন্ত প্রাকৃতিক ভাবে উচ্চতা ব্রিদ্দি পেতে পারে গড়ে ৭০% এবং সেই ফলাফল ৬ সপ্তাহ পর থেকে পাওয়ার কথা )
শিশুদের বেলায় যদি গ্রোথ হরমোন অপর্যাপ্ত হয় তা হলে টার্নার সিনড্রোম সহ কম ওজন ও ছোট আকার নিয়ে ভূমিষ্ঠ শিশু হতে দেখা যায় এবং সেই শিশু প্রায়ই পেটের পিড়া জনিত অসুখে ভোগে বা লক্ষণ অনুসারে ঔষধ প্রয়োগে কোন কাজ হয়না সেই সাথে মারাত্মক হরমোন ঘট টি থাকলে কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত হতে পারে , অবশ্য শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধি জন্মের ১৮/২১ মাসের ভিতর তার মায়ের কাছে এমনিতেই ধরা পড়বেই । সে সময় যদি অভেলা না করে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্ষ নিতে পারেন তা হলে আসল অসুখ টি ধরা পড়তে পারে বা সে সময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত প্রতিদিন রাতে নির্দিষ্ট মাত্রার গ্রোথ হরমোন ইনজেকশন দিয়ে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে কিছু দিনের ভিতর আপনার শিশু লম্বা হতে শুরু করতে পারে বা অন্য অসুখ থাকলে তা ভাল হয়ে যাওয়ার কথা ।

মনে রাখবেন শিশু যদি তার দৈহিক পরিমাপ অনুযায়ী বৃদ্ধি না ঘটে তা হলে এই শিশুটির প্রথম অবস্থায় নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হবেই এবং সেই সমস্যা অনেকের বেলায় যৌবনপ্রাপ্ত না হওয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে , যা পরে তার বিবাহ, সন্তান ধারণ বা পারিবারিক জীবনে মারাত্মক অসুবিধার সম্মুখিন হতে পারে । তারপর ও যদি কোন কারণে খাট হয়েই থাকে তা হলে তাকে সামাজিক ট্রিটিং থেকে সেইভ করে রাখবেন বা তার বুদ্দি ও ধক্ষতা বিবেচনা করে মেধা শক্তি কে কাজে লাগানোর চেস্টা করবেন – সামাজিক কিছু কু সংস্কারের কারণে আমাদের সমাজে এদের কে সু শিক্ষায় শিক্কিত করা থেকে অনেক মা বাবা পিছিয়ে থাকেন যা আমাদের জন্য মস্ত বড় একটা ভুল । কারন অনেক ( মানুষ ও তার হুঁশ অধ্যায়ে জানতে পারবেন )
কিছু নিয়ম নিম্নে উল্লেখিত আছে – ( সংগৃহীত ) ঃ-
সহজ স্বাভাবিকভা উপায়ে উচ্চতা বৃদ্ধি ঃ- আপনার চিকিৎসক গ্রোথ হরমোন (সোমাট্রপিন) ও যোক্ত অন্যান্য হরমোন ড্রাগস থেরাপি ব্যাবহার করে ৬/৭ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হওয়ার আশ্বাস দিতে পারেন এবং বাদবাকি আপনাকে নিজেই করতে হবে এবং সে জন্য নিচের নিয়ম সমুহ পালন করতে হবে ।
দুধ পান আপনাকে লম্বা হওয়ায় অনেক সাহায্য করবে কারণ ক্যালসিয়াম আপনার শরীররের হাড় এর বৃদ্ধি ঘটায়, আরেকটা বেপার যা আমাদের দেশে নেই সেটা হল আমেরিকায় তাদের গরু মধ্যে বিভিন্ন হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয় যার মাধ্যমে – হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি হয়, এবং সেই প্রকিয়াজাতকরন দুধ হয় সাধারণ দুধ এর বিকল্প।
নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট ব্যায়াম (ওজন উদ্ধরণ) হরমোন (HGH) বৃদ্ধি করে। এটি বৃদ্ধি সংক্রান্ত হরমোনের মাত্রা আরও উন্নত করার জন্য বহুল পরিচিত এবং পদ্ধতি খুবই কার্যকর. আর অতিরিক্ত পেশী আপনাকে আরো সাহয্য করবে আকর্ষণীয় চেহারার অধিকারী হতে।
তীব্র sprinting ব্যায়াম মানব বৃদ্ধির হরমোনে একটি বিস্ফোরণ ঘটায় এছাড়াও আপনার হরমোনকে আরও উন্নত করে। আসলে, যে কোনো কঠিন শারীরিক ব্যায়াম আপনাকে লম্বা হতে সাহায্য করবে। তবে অবশ্যই সেটা ২১বছর বয়স হওয়ার পর।
Niacin supplementation : Niacin একটি প্রাকৃতিক ভিটামিন নামক ভিটামিন B3. একটি গবেষণা থেকে জানা যায়, ৫০০গ্রাম নিয়াসিন নেওয়া মানুষের থেকে সাধারণ মানুষের বৃদ্ধি কম ঘটে।
মানসিক চাপ কমানঃ স্ট্রেস বা মানসিক চাপ যা হচ্ছে আপনার
লম্বা বৃদ্ধি হওয়ার ক্ষেত্রে একটি বাঁধা। যাতে আপনার হরমোনের মাত্রা কমে যায় এবং করটিসল উত্পাদিত হয়। ভিটামিন C সম্পূরকসমূহ যা করটিসল কমাতে জোর সহায়তা করে।
ঘুমঃ কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘমানো । এটি সবচেয়ে সহজ এবং অনেক কার্যকরী উপায়। সঠিক এবং সুন্দর ভাবে ঘোমানো আপনার দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি মাত্রা আরো বাড়িয়ে তোলে।
তবে আপনাকে বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কিছু জিনিস এড়িয়ে ও চলতে হবে ঃড্রাগ এবং এলকোহল এবং ধূমপান যেমনি সাস্থের জন্য ক্ষতিকর তেমনি দেহের হরমোন গঠনও কমিয়ে ফেলে মনে করেন অনেকেই ।
চিকিৎসা ঃ-

( গ্রোথ হরমোন ব্রিদ্দিকারক ঔষধ সমুহ শুধু মাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়া নিজে নিজে এই সব ঔষধ সেবন নিষেধ থকায় উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই বিধায় তেমন জানার প্রয়োজন মনে করিনা ) তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রিকমবিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি গ্রোথ হরমোন ( সোমাট্রপিন বা নরডিট্রোপিন ) দিয়ে চিকিৎসা করে থাকেন যা খুভ দ্রুত গ্রোথ হরমোনের অভাব মিটিয়ে শারীরিক বৃদ্ধিকে করে এবং গ্রোথ হরমোনের অভাবে যেসব সমস্যা দেখা যায় লক্ষণ অনুসারে তার আলাদা ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারেন ।
কিছু ভেষজ আছে যা গ্রোথ হরমোন বৃদ্ধি কারক প্রাকৃতিক ভাবে ( তবে ইহা তড়িত গতিতে ফল পাওয়ার আসা করা ভুল ) ঃ- এশিয়ান কিছু ভেজেটেবিল জাতীয় খাবার হরমোন উদ্দিপক হিসাবে কাজ করে এর মধ্যে সদ্য প্রমাণিত মেথি পাতা গ্রোথ হরমোন বৃদ্ধি কারক বলে অনেকে মনে করেন । অনেক সময় চায়ের মত খেলে গ্রোথ হরমোন কে স্টিমুলেট করে থাকে । L’Arginine powder 2 gram করে দিনে তিনবার খেলে শরিরের এমাইনো এসিড কে উক্তেজিত করে বিধায় পিটিইটারি গ্ল্যান্ড থেকে গ্রোথ হরমোন বৃদ্ধি করতে ভাল সহায়ক ( সে জন্য প্রথম শ্রেণীর মায়ো ক্লিনিক ও স্পোর্টস হেলথ ক্লিনিক সমুহে ইহা সকলের কাছে বেশ গুরুত্ব পূর্ণ বা পশ্চিমা বিশ্বে সবাই ইহা ব্যাবহার করেন বডি বিল্ড ও যৌন শক্তি বাড়ানোর কাজে যদি খুভি গুরুত্ব পূর্ণ ) – এ ছাড়া ও পলি পেপ্টাইড হরমোন ( 191 amino acids ) উক্তেজক আর ও কিছু ভেষজ আছে যে যা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে বেশ সমাদৃত যেমন – Mucuna prurien/ মখমল শিম: It consists of almost 22 – 29 % of crude oil, 6 – 7 % crude lipid, 50 – 55 % carbohydrates and 8 % dietary fiber.- ইহা প্রাকৃতিক ভাবে খাবারে মাধ্যমে গ্রোথ হরমোন উৎপাদক । Vitex agnus-castusঃ ল্যাবরেটরি রিসার্চ অনুসারে ৭৫% কার্যকর (acting on the Pituitary gland. Research and laboratory findings have proved it to be highly effective in the optimal functioning of the Pituitary gland ) ঠিক এ রকম ইউরোপের Tribulus terrestris ( কেমিক্যাল ফারমাসিউটিকেল রিসার্চ ) ও খুভ বেশী কার্যকর – প্রসঙ্গত উল্লেখ করতেই হয় আমাদের খাবারে যে সকল খাবার প্রচুর এমাইনো এসিড উৎপাদক, কম বেশী সব কয়টি খাবার ই গ্রোথ হরমোন উৎপাদক বিধায়  — এই সব ভেষজ আবার ক্রিড়া মোদী ও বিখ্যাত স্পোর্টস সেন্টার এবং হেলথ সেন্টারে খুভি জনপ্রিয় কেন না ইহা শরীরের মাসুল গঠনের জন্য খুভি ভাল । সে জন্য পৃথিবীর ভিন্ন জায়গার খুভি উৎসাহের সাথে অনেক কে ব্যাবহার করতে দেখা যায় বা বেশ ভাল চমৎকার রিজাল্ড ও দেখা যাইতেছে — ধন্যবাদ
( হরমোন ৩য় পর্বে দেখুন )
বিদ্রঃ পরবর্তী পর্ব সমুহ কিছুটা উক্তেজক হরমোন বিধায় পবিত্র রমজান শেষে নিয়মিত আপডেট হিসাবে দেখতে পাবেন ( হেলাল )
The Human Growth Hormone is a poly-peptide hormone, comprising of 191 amino acids, released by the anterior Pituitary gland. It plays a very important role in the growth and development in children and in adolescents. The Growth Hormone controls tissue growth, repair of worn out cells, helps boost energy levels, and encourages muscle growth. In adults, it helps maintain a good muscle mass and muscle tone, good bone density, provides vitality and strength, and even stabilizes the mood. The Human Growth Hormone governs a host of critical functions, thus, it is called the chief hormone of the human body
Turner syndromeঃ Turner syndrome occurs because of a random deletion or severe alteration of an X chromosome either in the sperm or egg. The X chromosome is one of two chromosomes that determine the sex of a person. A female inherits an X chromosome from each parent, and a male inherits a Y chromosome from his father and an X chromosome from his mother. A girl with Turner syndrome has only one fully functioning copy of the female sex chromosome rather than two.
Growth hormone deficiencyঃ-The cause of growth hormone deficiency can sometimes be traced to a genetic mutation or injury, but for most people with the disorder, no cause can be identified.
Other causes of dwarfism include deficiencies in other hormones and poor nutrition.
The most common cause of dwarfism is a disorder called achondroplasia, which causes disproportionately short stature. This disorder usually results in the following:
An average-size trunk
Short arms and legs, with particularly short upper arms and upper legs
Short fingers, often with a wide separation between the middle and ring fingers
Limited mobility at the elbows
A disproportionately large head, with a prominent forehead and a flattened bridge of the nose
Progressive development of bowed legs (genu varum)
Progressive development of swayed lower back (lordosis)
An adult height around 4 feet — about 122 cm
Another cause of disproportionate dwarfism is a rare disorder called spondyloepiphyseal dysplasia congenita (SEDC). Signs may include:
A very short trunk, which may or may not be apparent in infancy
A short neckA very short trunk, which may or may not be apparent in infancy
A short neck
Shortened arms and legs
Average-size hands and feet
Slightly flattened cheekbones
Hip deformities that result in thighbones turning inward (coxa vara)
A foot that’s twisted or out of shape (clubfoot)
Progressive hunching curvature of the upper spine (kyphosis)
Progressive development of lordosis
Vision and hearing problems
Adult height ranging from 3 feet (91 cm) to just over 4 feet (122 cm) Thanks ( cont.. 3rd part )

3 comments on “হরমোন- ২য় পর্ব ( Hormone Part- ২ ) – ৬ হতে ৯ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারেন যদি একটু খেয়াল করেন –”

  1. rakib

    September 9, 2015

    ভাই পুরা পোস্ট টা বুজলাম না। আমাদের দেশের হারবাল চিকিৎসা কি গ্রহন যোগ্য

    • আমার জানা মতে আমাদের দেশের যে কারও হারবাল চিকিৎসা গ্রহন যোগো নয় , বিশেষ করে কম্বাইন্ড চিকিৎসা পদ্ধতি তে যারা অভিজ্ঞ নয় ( আধুনিক ডায়াগনোসিস এবং ভেষজের কেমিক্যাল কম্পজিশন সম্মন্ধে যারা অনভিজ্ঞ ) তারা আগেকার দিনের মুখস্ত বিদ্যায় চিকিৎসা করে থাকেন । তবে সুখবর এই টুকু জানি – বর্তমানে যারা ইউনানি বা আয়ুর্বেদী চিকিৎসার উপর গ্রেজুয়েশন প্রাপ্ত তারা সে রকম নয় – বা অনেকের সাধারণ এম বি বিএস এর চাইতে অনেক ভাল অভিজ্ঞতা আছে – বা তারা না বুঝে সাইনবোর্ড টাঙানো চিকিৎসকদের মত তেমন কিছু করবেন না — দুখের বিষয় এত টুকু আমাদের দেশের সব ধরনের চিকিৎসাকেই বাণিজ্যিক ভাবে ব্যাবহার করা হইতেছে যা অনেক সময় অমানবিক ও বটে — বা আমার ব্যাক্তিগত মতে একে মহৎ সেবা বলা যায়না -সে জন্য আমাকে অনেকেই দেখতে পারেন না – ধন্যবাদ আপনার সুন্দর একটা প্রশ্ন করার জন্য -( নরমালি আমি কার ও প্রস্নের উত্তর দেইনা – আপনার প্রস্নের উত্তর টি বিবেকের কারনে দিতেই হল – ক্ষমা করবেন ভুলত্রুটির জন্য ) ।

  2. arife

    September 22, 2015

    I need contract to daktar 01911576664

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

Information

This entry was posted on অক্টোবর 9, 2015 by in Uncategorized.

নেভিগেশন

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

আপনার অভিমত

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

আর্কাইভ

স্বাস্থ্য

%d bloggers like this: