আপনার স্বাস্থ্য

ডাঃ হেলাল কামালি

হরমোন ( Hormone ) প্রথম পর্ব ( 1st Part )–

হরমোন ( Hormone ) প্রথম পর্ব ( 1st Part )

h 1স্ট্রেস হরমোন ও কুশিং সিন্ড্রোম ( Cushing syndrome- Cortisol )
Suportd & Reference from:- Dr Domingoঃ- University Hospitals Bristol NHS Trust / England: Society for Endocrinology/ Professor David Ray, University of Manchester / Department of Endocrinology, Bangladesh Institute of Research & Rehabilitation – Ibrahim Medical College – Created by H.Kamaly


 

 

হরমোন (Hormone) হচ্ছে এক প্রকার রাসায়নিক তরল যা শরীরের কোনো কোষ বা গ্রন্থি থেকে শরীরের একটি নির্দিষ্ট অংশে নিঃসরিত হয়। হরমোনের মাধ্যমে শরীরের অন্যান্য অংশের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পরিবর্তনের সংকেত পাঠানো হয়। উদাহরণস্বরূপ, বিপাকক্রিয়ার পরিবর্তনের জন্য অল্প একটু হরমোনই যথেষ্ট। এটি একটি রাসায়নিক বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করে যা এক কোষ থেকে অপর কোষে বার্তা বহন করে। সকল বহুকোষীয় জীবই হরমোন নিঃসরণ করে। গাছের হরমোনকে ফাইটোহরমোনও বলা হয়।

প্রাণীর ক্ষেত্রে বেশির ভাগ হরমোনই রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। কোষ হরমোনের সংস্পর্শে প্রতিক্রিয়া করে যখন সেগুলোর ঐ হরমোনের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো রিসেপ্টর রয়েছে । হরমোন হচ্ছে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা গ্রন্থি হতে নিঃসারিত হয়ে বিভিন্ন শারীরিক ক্রিয়া বিক্রিয়া, বৃদ্ধি, রক্ত চাপ নিয়ন্ত্র, মাতৃদুগ্ধ তৈরী, যৌন পরিপক্কতা ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে৷ মোট কথায় হরমোন বলতে যা বুজায় , মানুষ বা অন্য যে কোনো বহুকোষী প্রাণীর কোষগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করা, কর্মকাণ্ডের একটা ক্রোনোলজি বা অর্থপূর্ণ কর্মকাণ্ড করার জন্য একটা কন্ট্রোলিং সিস্টেম।

 
জেনে নিন গ্রন্থি বা গ্ল্যান্ড কি ;

যেসব কোষ বা কোষ গুচ্ছ দেহের বিভিন জৈবিক প্রক্রিয়ার প্রয়জনীয় রাসায়নকি পদার্থ ক্ষরন করে তাই হচ্ছে গ্রন্থি। ক্ষরন মানে হচ্ছে নিসঃরন করা। আমাদের শরীরে অনেক প্রকারের গ্রন্থি রয়েছে , সে জন্য ক্ষরন এর উপর ভিত্তি করে গ্রন্থি দু প্রকার। Exocrine বহিঃক্ষরা গন্থি ও Endocrine বা অন্ত ক্ষরা গ্রন্থি।
অন্তকরা -( Endocrine )ঃ- যে সব গ্রন্থি নালি বিহিন এবং নিঃসৃত রস রক্তে ক্ষরিত হয়ে ক্রিরা স্থলে পৌছায় এবং রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে ক্রিয়া স্থলে গিয়ে তার নির্দিষ্ট কাজ করে – যেমন পিটুইটারি, থায়রয়েড এবং এড্রোনাল গ্রন্থি – এরাই হরমুন নিসরন করে —
বহি করা ( exocrine ) – এই গ্রন্থি নালি যুক্ত এবং নালির মাধ্যমে তার উওপাদিত রস নিকটের কোন ক্রিয়া স্থলে যায় – যেমন লালা , যকৃৎ এবং ঘাম গন্থি এবং এরা মুলত এনজাইম নিসরনের কাজ করে । ( যকৃৎ থেকে পিত্ত রস, লালা গ্রন্থি থেকে লালা রস নামে অভিহিত )
আবার কিছু গ্রন্থি আছে এনজাইম ও হরমোন দুটি এক সাথে নিসরন করে এদের কে মিস্র গ্রন্থি বলে যেমন ঃ অগ্নাশয় ডিম্বাশয় এবং শুক্রাশয় ।
অন্য দিকে যে গ্রন্থি থেকে হরমোনগুলো তৈরী হয় সেই গ্রন্থির নামানুসারে হরমোনগুলোর নাম দেয়া হয়েছে । যেমন আমরা থায়রয়েড গ্রন্থির নাম অনুসারে থায়রয়েড হরমোন , এড্রিনাল হরমোন,পিটুইটারি হরমোন ইত্যাদি ।

ঠিক তেমনি হরমোনকে তার কাজের ভিত্তিতে চার ভাগে বিভক্ত করা যায় – যেমন দেহ বৃদ্ধি করতে সহায়ক হরমোন কে গ্রোথ এবং ডেভলাপমেন্ট হরমোন, সেই ভাবে দেহের সামগ্রিক শক্তি উতপাদন বা শক্তির ব্যবহারে সাহায্য কারি হরমোন, শরীরের ভেতরে যে পানি আছে, ইলেকট্রোলাইজড মেইনটেইন করার হরমোন এবং রিপ্রোডাকশন বা সেক্স হরমোন ।

বিশেষ করে রিপ্রডাকশন হরমোন নিয়ে ভাল ভাবে জানলে একেবারে নিশ্চিত হয়ে বলতে পারি, দাম্পত্য জীবন বা অন্যান্য কুসংস্কার জাতীয় কিছু ভুল শিক্ষা আছে তা থেকে দূরে থাকতে পারবেন বা অনেক অজানা কে জানতে ও বুজতে পারবেন এবং যৌনতা নিয়ে যে অতিরিক্ত কিছু কৌতূহল আছে বা মানশিক লুকায়িত অসুখ আছে তা থেকে নিরাপদ থাকতে পারবেন ১০০% । আমার জানা মতে ৭৫% অসুখ মুলত মানশিক ভাবে তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে তা রোগ হিসাবে তৈরি হয় । সেই সাথে সদ্য আবিষ্কৃত নতুন নতুন কিছু হরমোন রসের তথ্য ও জানতে পারবেন ।

 
জেনে নিন মানব দেহের গুরুত্ব পূর্ণ কিছু গ্রন্থি ও তার নিঃসরণ সম্মন্ধে ঃ
Pituitary Glands :- পিটোইটারি গ্রন্থি ই যেহেতু হরমোন নিঃসরণ সব চেয়ে বেশী করে তাই এ বিষয়ে জানলেই মনে হয় শারীরিক বা যৌন শিক্ষার অনেক কিছু বুজতে শিখতে সহজ হবে, সে জন্য একটু বিস্তারিত আলোচনার দরকার । হরমোন নিঃসরনের প্রধান গ্রন্থি হলো পিটুইটারী যা মানুষের মস্তিষ্কের নীচের দিকে হাইপোব্যালাথার্ম নামক জায়গা হতে ঝুলে থাকে৷

হাইপোব্যালাথামে যে হরমোন প্রস্তুত হয় তা পিটুইটারী গ্রন্থিকে সংকেত দেয় হরমোন নিঃসরন করার জন্য এবং শারীরিক বিভিন্ন কাজে পিটুইটারী গ্রন্থি হরমোন নিঃসৃত করে৷ সেজন্য পিটুইটারী গ্রন্থিকে মাস্টার গ্ল্যান্ড( Master Gland ) বলা হয়৷ওজন মাত্র 500 mg . পিটুইটারী গ্রন্থি দুই ভাগে বিভক্ত, সামনের দিকে পিটুইটারী গ্রন্থি এবং এবং পিছনের দিকে পিটুইটারী গ্রন্থি৷
সম্মুখ ভাগের পিটুইটারি গ্রন্থি নিঃসৃত হরমোনগুলি হল ACTH ( Adrenocorticotropic Hormone ) GH( Growth hormone or HGHবৃদ্ধি পোষক হরমোন / ) TSH ( thyroid – stimulating hormone/ থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রক ) GTH ( Gonadotropic hormones/ জনন গ্রন্থির ( শুক্রাশয় ও ডিম্বাশয়) বৃদ্ধি ও কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রক )
Adrenocorticotropic Hormone (ACTH), Plasma: অ্যাডরিনো কর্টিকোট্রফিক হরমোন :- ACTH হরমোন পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় । ACTH অ্যাডরিনো কর্টিকোট্রফিক হরমোন ঘাটতির কারনে সাধারন ভাবে যে সব সমস্যা দেখা দিতে পারে , পেশী দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, ওজন হ্রাস , পেটের ভিন্ন ধরণের ব্যাথা, নিম্ন রক্ত চাপ ও নিম্ন লেভেলের রক্তের সোডিয়াম সিরাম, অথবা মারাত্মক ইনফেকশন বা সার্জারির কারনে ও দেখা দিতে পারে, শেষ পর্যন্ত কোমা বা মৃত্যু ও হতে দেখা যায়। গঠন গত দিক দিয়ে ,অ্যাডরিনাল গ্রন্থির কর্টেক্স অঞ্চলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে । অ্যাডরিনাল গ্রন্থির কর্টেক্স অঞ্চলকে উদ্দীপিত করে তার ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু যদি অ্যাডরিনাল কর্টেক্সের ক্ষরণ বেড়ে যায় তা হলে কুশিং জাতিয় অসুখ হতে পারে ।

 

কুশিং সিন্ড্রোম ঃ

-রক্তে কর্টিসোলের মাত্রার এই অস্বাভাবিকতা আবিকৃত হয় ১৯৩২ সালে। হার্ভে কুশিং এই অস্বাভাবিকতা আবিষ্কার করেন বলে তার নাম অনুযায়ী একে কুশিং সিনড্রোম বলে। এটি কেবল যে মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ তা নয়, এই রোগ ঘোড়া, গৃহপালিত কুকুর, বিড়ালের মধ্যেও দেখা যায়। কর্টিসল হরমোনের নিয়ন্ত্রণহীন বৃদ্ধির ফলে উদ্ভূত সকল সমস্যা। উচ্চমাত্রায় গ্লুকোকর্টিকয়েড ড্রাগ গ্রহণ কিংবা অতিরিক্ত কর্টিসল, অ্যাড্রেনোকর্টিকোট্রপিক হরমোন (ACTH) এর কারণেও হতে পারে। পিটুইটারি গ্রন্থিতে টিউমার হলে অতিরিক্ত ACTH ক্ষরণ হয় যা অ্যাড্রেনাল গ্রন্থিকে কর্টিসল তৈরিতে উদ্বুদ্ধ করে
Cortisolঃ- কর্টিসল হল একটি হরমোন রসের নাম যাকে অনেকে স্ট্রেস হরমোন বলে থাকেন (গ্লুকোকর্টিকয়েড হরমোন ) ঃ- এর কাজ হল দেহের শর্করা, স্নেহ ও আমিষ জাতীয় খাদ্যের বিপাক ঘটানো । রক্তে কর্টিসোল বেশি থাকলে কি কি দেখা দেয় ঃ- হাত পায়ের মানশ পেশী টেনে যাওয়া, মুখ মণ্ডলের মধ্যে চাপ চাপ ভাব বা দেখতে বৃত্তাকার মনে হওয়া, বাথ ব্যাথার মত শরিরে ব্যাথা হওয়া, শরিরের চামড়া দেখতে ফুস্কুড়ির মত বা রক্তবর্ণ লম্বা দাগ দেখা দেওয়া, পেশী দুর্বলতা – দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা বা বিরক্ত হিসাবে দেখতে লাগা যা দেখতে অনেক রাগী ভাব লাগে – পিপাসা বৃদ্ধি এবং মূত্রত্যাগ ফ্রিকোয়েন্সি পাতলা মনে হওয়া , দীর্ঘ দিন কর্টিসল হরমোন বেশি নিঃসরণ হলে যৌন ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া, মহিলাদের মাসিক স্রাবে ভিন্ন অসুবিধা বা ঘন ঘন বা কখনও বেশি হওয়া অথবা সাময়িক মাঝে মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সহ পুরুষ মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে সাময়িক বন্ধ্যাত্ত দেখা দিতে পারে । সেই সাথে সঙ্গি হতে পারে উচ্চরক্তচাপ , ডায়াবেটিস্‌, স্থায়ী মাইগ্রেনের মত মাথা ব্যাথা ইত্যাদি আর ও অনেক জঠিল সমস্যা  সহ  ক্লান্ত, অবসন্ন, নিদ্রাহীনতা ইত্যাদি অস্বাস্থ্যকর সকল পছন্দ যোগ হতে দেখা যায় ।
প্রমান সরুপ বিজ্ঞানিরা দেখিয়েছেন , মানুষ যে মুহূর্তে অধিক সুখী থাকে এবং মানশিক ভাবে সুন্দর অনুভূতিগুলো জাগ্রত হয় তখন কর্টিসোল নামের স্ট্রেস হরমোন কম নিঃসৃত হয় বা যাদের করটিসল কম আছে তাদের বেলায় পূর্ণ ভাল হয়ে যায় । আর এই হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে দীর্ঘায়ু লাভ করা যায়। এটাই গবেষণার প্রধান উপাত্ত।

গবেষণায় আর ও দেখানো দেখানো হয়েছে , শুধু পারিবারিক সুখই নয়, যাদের কর্টিসোল হরমোনের প্রভাব কম থাকবে তাদের শক্তির ভাণ্ডার হয় অবমুক্ত, সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা বেশি থাকে, বা স্বাভাবিক কোন ধরনের সমস্যায় তেমন ভয় হয়না বা চিন্তা মুক্ত মানুষ বলাহয় । এমনিতেই যত বেশি মানশিক দুশ্চিন্তা করবেন তথই আপানর কারটেক্সে কে উজ্জিবিত করে করটিসল হরমমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে । তাই করটিসল হরমোন থেকে মুক্ত থাকতে হলে যত পারেন চিন্তা মুক্ত বা যে কোন মানশিক চাপ মুক্ত থাকতে হবে । সে জন্য হৃদ রোগি, ডায়াবেটিস, ইত্যাদি যে কোন রোগিকে মানশিক চিন্তা মুক্ত থাকতে বলা হয় । ( প্রমানিত ) —

রক্তে স্বাভাবিক ভেলু ৬- ২৩ মাইকোগ্রাম mcg/dL হচ্ছে নর্মাল রেইট । স্ট্রেস হরমোন হলো তিন টি ঃ কর্টিসোল (একে স্ট্রেস হরমোনও বলে), ইপিনেফ্রিন (এড্রিনালিন নামেও পরিচিত) এবং ডোপাক, একটি ডোপামিন ক্যাটবলা ইট (মগজের এই রাসায়নিক ইপিনেফ্রিন তৈরিতে সহায়ক) । প্রমান সরুপ দেখানো হয়েছে মানুশের এই হরমোন সমুহ হ্রাস করে ৩৯ -৭০% দুশ্চিন্তা মুক্ত করে রাখা সম্বভ । প্রতিরোধ হিসাবে হাসি-উল্লাসে বা ভিন্ন রকমের মনোরঞ্জন কথা ভাবলে বা করলে এই তিনটি স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমে আসে ৩০-৪০% ।( সুত্র ঃ মেডিক্যাল ইনফ টেক এন্ড স্ট্রেস রিলিভ মেথড )
তাই যাদের রক্তের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কর্টিসোল হরমোনের মাত্রা থাকে তাদের কুশিং সিনড্রোম অসুখ হয় । যদি ও অনেক সময় পিটুইটারী গ্ল্যান্ডের টিউমারের কারণে ও বাড়তে দেখা যায় অর্থাৎ যেকোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক চাপ শরীরে কর্টিসোল হরমোনের নিঃসরণ বাড়ায় এবং ক্রমে তা কুশিং সিনড্রোম অসুখের জন্ম নেয় ।

 
Cushing Syndrome হয়ে গেলে  যা যা দেখা দিতে পারে ঃ

( করটিসিল গ্রন্থি রস স্থায়ীভাবে নিঃসরণে অভ্যাস হয়ে গেলে বা স্ট্রেস স্থায়ী ভাবে হয়ে গেলে ২০- ৫০ বয়সের যে কারও- Chronic stress )- শরীর খুভি চিকন লতার মত অথবা দৈহিক ওজন বৃদ্ধি পাবে সময়ের চাইতে বেশি- মহিলাদের মাসিক ঋতুস্রাবে অনিয়মিতভাব বা ঋতুস্রাবে বিরতি বা ঋতুস্রাবহীনতা দেখা দিয়ে থাকে এ সময় অনেক মহিলার শরিরে পুরুষালি লোমের উদ্ভব (মুখে) ঘটতে পারে, কার ও কার ও বেলায় সাময়িক বন্ধ্যাত্ব দেখা দিতে পারে ,পেটের দেয়ালে বেগনি বর্ণের সর্পিল দাগ তৈরি হওয়ামুখে ব্রনের আধিক্য, গর্দানে চর্বি জমে ষাঁড়ের ঘাঢ়ের মতো স্থূলকার হওয়া,
যৌন-সক্ষমতা হ্রাস পাওয়া বা ইচ্ছা থাকে না , বিষন্নতা, মাংসপেশীর দুর্বলতা, অস্থির ভঙ্গুরতা বা অস্থিতে চিড় ধরা, পা চিকন হয়ে যাওয়া, হাসলেও মুখে রস স্ফীতি দেখা দেয়, অতিরিক্ত ঘাম এমনিতেই বাহির হওয়া, মায়োপ্যাথি বা বিরক্তি প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়া , পাতলা ত্বক ও চোখে ছানি পড়া, অস্থির ছিদ্রালুতা ও ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পাওয়া, ক্ষতস্থান শুকাতে বিলম্ব হওয়া বা জীবাণু সংক্রমণের জন্যে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া , রক্তে গ্লুকোজের উচ্চমাত্রা ও ডায়াবেটিস বা মাঝে মধ্যে উচ্চ রক্ত চাপ বিনা কারনে দেখা দেওয়া ইত্যাদি থাকবেই ।
রক্ত পরীক্ষায় যদি প্রতি লিটারে পঞ্চাশ ন্যানো মোল -এর চেয়ে এর মাত্রা কম কম থাকে তা হলে মনে করবেন তা কুশিং সিনড্রোম নয় বা বা মুত্র পরীক্ষায় যদি চব্বিশ ঘণ্টার মুত্র নমুনায় কর্টিসোলের মান ২৫০ হয় তাহলে কুশিং সিনড্রোম নয় । সাধারণত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এক মিলিগ্রাম ডেক্সামিথাসোন ট্যাবলেট মুখে খাইয়ে দিয়ে আবার কর্টিসোলের রক্ত-মান নিরূপন করার কথা বলে থাকেন বা ৪৮ ঘণ্টার ডেক্সামিথাসোন সাপ্রেশান টেস্ট এবং কর্টিসোল নিঃসরণের সারকাডিয়ান ছন্দ অনুধাবন করে কুশিং সিনড্রোম শনাক্ত করণ করে থাকেন । তবে অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির টিউমারের বেলায় ( endogenous Cushing’s syndrome) আর ও অন্যান্য ব্যাবস্তা করতে হয় বা প্রয়োজনে সার্জারির প্রয়োজন হয় অনেকের ।
জঠিলতা ঃ যাহারা অনেক দিন এই জাতীয় অসুখে আক্রান্ত তাহারা চিকিৎসা বা উপযোক্ত মন মিজাজের পরিবর্তন না ঘটালে হাড় ভেঙ্গে যাওয়ার মত অসুখ ( অস্টিওপরোসিস ) উচ্চ রক্ত চাপ (উচ্চ রক্তচাপ) – ডায়াবেটিস, ঘন ঘন বা অস্বাভাবিক সংক্রমণ – পেশী পাতলা বা শক্তি ক্ষয় ও যৌন ক্ষমতা স্থায়ী ভাবে হ্রাস সহ যে কোন মারাত্মক অসুখে ভুগতে পারেন

সাবধানতা ঃ- মোটা হওয়ার জন্য অনেকেই স্টেরয়েড খেতে চান – ইহা কিন্তু খুভি মারাত্মক, কেন না দীর্ঘ দিন স্টেরয়েড ঔষধ  খাওার ফলে মারাত্মক কুশিং সিনড্রোমে আক্রান্ত হবেন ইহা একেবারে নিশ্চিত , বা যাহারা হাঁপানি বা অন্যান্য অসুখের কারনে স্টেরয়েড ঔষধ  খেয়ে থাকেন তাহারা চিকিৎসকের বিনা পরামর্শে একটা ট্যাবলেট ও না খাওয়া ভাল – ধন্যবাদ —

চলবে ২য় পর্বে দেখুন —
cortisol
What is cortisol?Cortisol is a steroid hormone, known as a glucocorticoid, made in the cortex of the adrenal glands and then released into the blood which transports it all round the body. Almost every cell contains receptors for cortisol and so cortisol can have lots of different actions depending on which sort of cells it is acting upon. These effects include controlling the body’s blood sugar levels and thus regulating metabolism, acting as an anti-inflammatory, influencing memory formation, controlling salt and water balance, influencing blood pressure and helping development of the foetus. In many species cortisol is also responsible for triggering the processes involved in giving birth.
How is cortisol controlled? Blood levels of cortisol vary dramatically, but generally are high in the morning when we wake up, and then fall throughout the day. This is called a diurnal rhythm. In people that work at night, this pattern is reversed, so the timing of cortisol release is clearly linked to daily activity patterns. In addition, in response to stress, extra cortisol is released to help the body to respond appropriately.
The secretion of cortisol is mainly controlled by three inter-communicating regions of the body, the hypothalamus in the brain, the pituitary gland and the adrenal gland. This is called the hypothalamic-pituitary-adrenal axis. When cortisol levels in the blood are low, a group of cells in a region of the brain called the hypothalamus release corticotrophin-releasing hormone which causes the pituitary gland to secrete another hormone, adrenocorticotropic hormone, into the bloodstream. High levels of adrenocorticotropic hormone are detected in the adrenal glands and stimulate the secretion of cortisol, causing blood levels of cortisol to rise. As the cortisol levels rise, they start to block the release of corticotrophin-releasing hormone from the hypothalamus and adrenocorticotropic hormone from the pituitary. As a result the adrenocorticotropic hormone levels start to drop which then leads to a drop in cortisol levels. This is called a negative feedback loop.
What happens if I have too much cortisol?
Too much cortisol over a prolonged period of time can lead to a condition called Cushing’s syndrome. This can be caused by a wide range of factors such as a tumour that produces adrenocorticotropic hormone (and therefore increases cortisol secretion), or taking certain types of drugs. The symptoms include:Rapid weight gain mainly in the face, chest and abdomen contrasted with slender arms and legs–A flushed and round face– High blood pressure–Osteoporosis–Skin changes (ie, bruises and purple stretch marks)–Muscle weakness–Mood swings which show as anxiety, depression or irritability–Increased thirst and frequency of urination.-
High cortisol levels over a prolonged time can also cause lack of sex drive and, in women, periods can become irregular, less frequent or stop altogether (amenorrhoea).
In addition there has been a long-standing association between raised or impaired regulation of cortisol levels and a number of psychiatric conditions such as anxiety and depression. However, the significance of this is not yet clearly understood.
What happens if I have too little cortisol? Too little cortisol can be due to a condition called Addison’s disease. It has a number of causes, all rare, including damage to the adrenal glands by auto-immune disease. The onset of symptoms is often very gradual. Symptoms may include fatigue, dizziness (especially upon standing), weight loss, muscle weakness, mood changes and the darkening of regions of the skin. Urgent assessment by a specialist hormone doctor called an endocrinologist is required when a diagnosis of Cushing’s syndrome or Addison’s disease is suspected
Cushing disease ( Cushing’s syndrome, also known as hypercortisolism, is a collection of symptoms that develop due to very high levels of a hormone called cortisol in the body.
Cushing syndrome occurs when your body is exposed to high levels of the hormone cortisol for a long time. The most common cause of Cushing syndrome, sometimes called hypercortisolism, is the use of oral corticosteroid medication. The condition can also occur when your body makes too much cortisol.
Too much cortisol can produce some of the hallmark signs of Cushing syndrome — a fatty hump between your shoulders, a rounded face, and pink or purple stretch marks on your skin. Cushing syndrome can also result in high blood pressure, bone loss and, on occasion, diabetes.
Treatments for Cushing syndrome can return your body’s cortisol production to normal and noticeably improve your symptoms. The earlier treatment begins, the better your chances for recovery.
Cushing syndrome
Common signs and symptoms involve progressive obesity and skin changes, such as:
Weight gain and fatty tissue deposits, particularly around the midsection and upper back, in the face (moon face), and between the shoulders (buffalo hump) –Pink or purple stretch marks (striae) on the skin of the abdomen, thighs, breasts and arms –Thinning, fragile skin that bruises easily –Slow healing of cuts, insect bites and infections –Acne–
Women with Cushing syndrome may experience:
Thicker or more visible body and facial hair (hirsutism) –Irregular or absent menstrual periods
Men with Cushing syndrome may experience: Decreased libido –Decreased fertility –Erectile dysfunction–
Othr signs and symptoms include:Fatigue -Muscle weakness –Depression, anxiety and irritability –Loss of emotional control –Cognitive difficulties –New or worsened high blood pressure -Glucose intolerance that may lead to diabetes –Headache –Bone loss, leading to fractures over time–
Causesঃ- Cushing syndrome can develop from a cause that originates outside of your body (exogenous Cushing syndrome). Taking corticosteroid medications in high doses over an extended period of time may result in Cushing syndrome. These medications, such as prednisone, have the same effects as does the cortisol produced by your body.
Your doctor may prescribe corticosteroids to treat inflammatory diseases, such as rheumatoid arthritis, lupus and asthma, or to prevent your body from rejecting a transplanted organ. Because the doses required to treat these conditions are often higher than the amount of cortisol your body normally needs each day, the effects of excess cortisol can occur.
People can also develop Cushing syndrome from injectable corticosteroids — for example, repeated injections for joint pain, bursitis and back pain. While certain inhaled steroid medicines (taken for asthma) and steroid skin creams (used for skin disorders such as eczema) are in the same general category of drugs, they’re less likely to cause Cushing syndrome, but may in some individuals especially if taken in high doses.
Complications
If you don’t receive prompt treatment for Cushing syndrome, other complications may occur, such as: Bone loss (osteoporosis), which can result in unusual bone fractures, such as rib fractures and fractures of the bones in the feet –High blood pressure (hypertension) –Diabetes Frequent or unusual infections — Loss of muscle mass and strength
When the cause of Cushing syndrome is a pituitary tumor (Cushing disease), it can sometimes lead to other problems, such as interfering with the production of other hormones controlled by the pituitary.
( cont 2nd part — ) Thanks
.

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

Information

This entry was posted on অক্টোবর 7, 2015 by in Hormone.

নেভিগেশন

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

আপনার অভিমত

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

আর্কাইভ

স্বাস্থ্য

%d bloggers like this: