আপনার স্বাস্থ্য

ডাঃ হেলাল কামালি

Stroke & Paralysis -২ স্ট্রোক এবং প্যারালাইসিস ( দ্বিতীয় পর্ব ) —

st 4( সাথে হিট স্ট্রোক নিয়ে ও কিছু তথ্য ইংরেজি ও বাংলাতে দেওয়া আছে )
Version Info from :- University of the West of England , Hemerton Uni reaserch inst, BMA & Neuro- specialist from Bangladesh — Created by H. Kamaly
৩- হার্টের ভিন্ন আসুখ জনিত কারনে ঃ হৃদরোগ জনিত যে কোন সমস্যা ( Cardiovascular disease ) ঃ যেমন, হার্টের রক্তনালী সংকুচিত হওয়া-হার্টের রক্তনালীতে জমে থাকা চর্বি অনেক সময় চিকন হয়ে গেলে ঠিক মত মস্তিষ্কে রক্ত পৌছাতে পারে না বা অনেক সময় অনেক সময় রক্তে ক্লট জমে যায় তখন মস্থিস্কের চিকন ধমনি সমূহ হার্টের প্রেসার সহ্য না করতে পেরে চিঁড়ে বা ফেটে যায় -এওরটিক ভাল্ভ সরু হয়ে যাওয়া।- এওরটিক রিগার্জিটেশন, হার্ট এর মাংস পেশী কোনো কারনে ঠিকমতো কাজ না করা – ইত্যাদি, হার্টের যে কোন অসুখে মস্থিস্কে স্ট্রোক হতেই পারে । তার কারন হার্ট রক্ত কে পাম্প করে সারা শরীরের পুস্টি ও অক্সিজেন যোগান দিয়ে থাকে । তাই প্রতি ৬ সেকেন্ডের ভিতর রক্তে  মস্থিস্কে রক্ত যেতে হবেই — ( বিস্থারিত জানতে হলে হৃদ রোগ অধ্যায়ে জানতে পারবেন )
৪- রক্তে উচ্চ মাত্রার কোলেস্টারল ( High blood cholesterol levels ) — বিস্তারিত প্রথম অধ্যায়ে আছে ।
৫- নিদ্রাহীনতাঃ- ( Sleep apnea )–এ পি এস এর রিসার্চ অনুসারে ইদানীং অল্প বয়সে যাদের স্ট্রোক হয়ে থাকে তার মধ্যে ৪% নিদ্রাহিনতার জন্য দায়ী । বিশেষ করে অবসট্রাকটিভ জাতীয় নিদ্রাহীনতা বেশী দায়ী । অন্য দিকে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর অনেকের আবার স্থায়ী নিদ্রাহিন্তা দেখা যায়, তার কারন মস্থিস্কের থেলামেসিয়া অঞ্ছলের স্নায়ু যোগা যোগ নস্ট হওয়ার একটি অংশ ( Central sleep apnea ) ( ঘুমের অভাবে শরীরে মূলত প্রধান দুই ধরনের বড় জটিলতা দেখা দিতে পারে। প্রথমত হূদযন্ত্রে সমস্যা এবং স্ট্রোক । যার লক্ষন হিসাবে মাথাব্যথা, সাময়িক উচ্চ রক্তচাপ দেখা যায় । ( নিদ্রাহিনতার বৈজ্ঞানিক কারন বা আর ও বিস্থারিত জানতে – ঘুম কেন হয়না ! – চাপ্টারে জানতে পারবেন , রিসার্চ অনুসারে ফলাফল= অতিরিক্ত হৃদস্পন্দন + উচ্চ রক্তচাপ . Hypopnoeas +apnoeas oxygen5 = কোষের মৃত্যু ( স্ট্রোক/প্যারালাইসিস ) ।
( উচ্চ রক্ত চাপ+ রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টারল বা রক্ত জমাট বাঁধা জাতীয় অসুখ + ডায়াবেটিস + হৃদ রোগ জাতীয় যে কোন অসুখ + নিদ্রাহিনতা = এই পাঁচ ধরণের অসুখের মধ্যে যে কোন একটি অসুখ থাকলে ৭৫% সম্বাভনা থাকবেই স্ট্রোক হওয়ার )
এ ছাড়া প্রথমেই বলেছি অন্যান্য সিম্পটেমেটিক কারনের কথা – তার পর ও বিনা নোটিসে যে সকল স্ট্রোক হতে পারে তার মধ্যে সাইলেস ন্স্ট্রোক ছাড়া ও ইলেক্ট্রোলাইটস ব্যালেন্স নস্ট হয়ে Sunstroke/ হিট স্ট্রোক জাতীয় সমস্যায় হতে পারে । যা গ্রীষ্ম প্রধান দেশে অতিরিক্ত গরমের কারনে দেখা যায় ( গড়ে ৪০ ডিগ্রি টেম্পারেচারে এ জাতীয় স্ট্রোকের আক্রমণ বেশী হতে দেখা যায় , তাই আমি মনে করি আরেক টু বেশী জানার দরকার, যেহেতো মাজে ,মধ্যে এশিয়ান কোন কোন অঞ্ছলের লকেল তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী চলে যায় বা আগামি শতাব্দীর পর বৈজ্ঞানিকদের ধারনা এই হিট জাতিয় তাপমাত্রা আর ও বাড়তে পারে ।

(  ইউরোপ অ্যামেরিকার ঠাণ্ডা দেশ থেকে যে সব পরিবার , সে সময় হলিডে  করতে যান তিনিদের জন্য  বেশি সতর্ক থাকা দরকার – বিশেষ করে  যদি সে  শিশু হয় তা হলে ডায়রিয়া জাতীয় অসুখের পর ই হিট স্ট্রোক বেশি আক্রমণ করতে পারে )

 

st 3Sunstroke/ হিট স্ট্রোক
হিট স্ট্রোক বা sunstroke , অথবা siriasis হিসাবে পরিচিত.–  তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ জন্য শরীরের টেম্পারেচার প্রক্রিয়া ব্যর্থ হলে এ জাতিয় স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা থাকে এবং এ জাতিয় স্ট্রোকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না হলে অনেকের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে । জরুরী চিকিৎসা হিসাবে রোগিকে যে ভাবেই হউক তার শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কার্যকর সকল বেবস্থা গ্রহন করতে হবে – সাধারণত শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ফারেনহাইট ক্রস করলেই হিট স্ট্রোক হতে পারে। ( দেহের নরমাল তাপমাত্রা ৯৮ ৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট- 37C/98.6F). বিশেষ করে গ্রীষ্ম প্রধান দেশে গরমের সময় যে কোন বয়সের মানুষ হিট স্ট্রোকে বেশি আক্রান্ত হতে পারেন । প্রতি বছর এ রকম অনেক ঘটনা প্রায় শুনা যায় , যে মানুষ টির কোন আসুখ বিশুখ ছিল না কিন্তু সামান্য একটি কাজে  করতে গিয়েই মারা গেলেন বা পেরালাইসিস হয়ে গেল ইত্যাদি-
হিট স্ট্রোক এর দুটি টাইপ ঃ– non-exertional heat stroke (NEHS) ঃ- বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধ অথবা যাহারা নিউট্রশনের অভাবে ভোক্ত ভোগি – exertional heat stroke (EHS)ঃ-তীব্র শারীরিক কার্যকলাপের কারনে বয়সে তরুণ বা যে কোন সুস্থ ব্যক্তিদের হঠাৎ করে হতে পারেন –
হিট স্ট্রোক বা sunstroke কেন হয়? ঃ– প্রচন্ড গরমে দেহে পানি কমে গিয়ে dehydration কারনে হয়ে থাকে । গরমে ঘামের কারনে আমাদের শরির থেকে খনিজ পদার্থ আছে তা বেশি বাহির হয়ে যায় , যা শরির সুস্থ থাকলে ও অনেক সময় বুজা যায়না- এবং কোন একসময় শরীরের সেই ঘাম বন্ধ হয়ে শরীরের তাপমাত্রা ব্রিদ্দি করে মস্থিস্কে কোষ সমুহে আঘাত করে অথবা নস্ট করে দেয় – তাই গরমের সময় সকলের ইলেক্ট্রোলাইট জাতীয় ডি হাইড্রেশন যাতে না হয় সে দিকে লক্ষ রাখা উচিত –
কাদের বেশি হওয়ার সম্বাভনা ঃ- যে কার ও হতে পারে তবে একটু বেশি হওয়ার সম্বাভনা যাদের ঃ- মদ্ পানে আসক্ত যাহারা,  — হৃদরোগের মত দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতায় -যাদের শরিরে স্থূলতা বেশি ( মেদ ভুড়ি )- শিশু ও পুরোনো বয়সের মানুষ –পারকিনসন রোগ– ডায়াবেটিস টাইপ টু ( অথবা যারা মুত্র ব্রিদ্দিকারক ঔষধ বা এন্টিহিস্টামিন জাতিয় ঔষধ সব সময় সেবন করেন তাদের )- যারা ভারি পোশাক ব্যাবহার করেন — অর্থাৎ যে কোন ভাবে মস্থিস্কের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্মতা হারিয়ে ফেললেই – হতে পারে ।
লক্ষণ এবং হিট স্ট্রোক এর জটিলতা ঃ– শান্ত, ফ্যাকাশে , আঠাযুক্ত ত্বক–মাথা ঝিম ঝিম করা–বমি করা–অবসাদ–দুর্বলতা–মাথা ব্যাথা – মাংশপেশির খিঁচুনি–চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদির সাথে ঃ- দেহের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেশি,ঘামের অনুপস্থিতি, চামড়া খসখসে লাল হয়ে যাওয়া,পালস বেড়ে যাওয়া,শ্বাস নিতে কষ্ট,মাতালের মত ব্যবহার,হ্যালুসিনেশন,কনফিউশন,অশান্তি করা,খিঁচুনি, কোমায় চলে যাওয়া ( তবে স্ট্রোক হয়ে গেলে অনেকের শরিরের টেম্পারেচার আপনা আপনি নেমে যেতে দেখা যায় )
জটিলতা হিসাবে যে লক্ষণ দেখা যায় – টেম্পারেচার 40.6°C (105°F) থাকবেই – শরীরের ঘাম বন্ধ হয়ে মস্তিস্কের হিট কন্ট্রল সিস্টেমের মারাত্মক অবনতি- অতিরিক্ত রক্ত চাপের কারনে শরীরের আভ্যন্তরীণ অঙ্গের ক্ষতি- ( বিশেষ করে মস্তিস্কের ) এবং বেশির ভাগ মানুশ তখন ই মস্তিস্কের রক্ত ক্ষরন হয়ে মারা যেতে দেখা যায় ।

 
হিট স্ট্রোকে উপস্থিত জরুরী প্রাথমিক চিকিৎসা ঃ

( মনে রাখবেন হিট স্ট্রোকে উপস্থিত জরুরী চিকিৎসাই সবাছেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যা আপনার সামান্য একটু সহায়তায় একজন মানুষের জীবনে অনেক উপকার আসতে পারে )
প্রথমেই যত তাড়া তাড়ি পারেন জরুরী অবস্তায় আপনার চিকিৎসক  কে তলব করবেন এবং সেই সাথে চেস্টা করবেন রোগিকে কীভাবে ঠাণ্ডা করা যায় ( যদি টেম্পারেচার ১০০ ফারেনহাইটের উপরে থাকে ) , বিশেষ করে সবচেয়ে ভাল ফ্যানের বাতাস বা এসি সুবিধা থাকলে সেখানে নিয়ে যাওয়া, গ্রামীণ জনপদে আক্রান্ত রোগিকে গাছের ছায়াযুক্ত একটি জায়গায় নিয়ে আসুন, গায়ের ভারি কাপড় খুলে দিন, তার গায়ে ( কপালে ) ঠাণ্ডা কাপড় ভিজিয়ে হাল্কা ভাবে চেপে চেপে স্পঞ্জ করুন। এতে গায়ের ঘাম মিলিয়ে যাবে চেস্টা করবেন বগল ও রানের খাঁজে বরফ দেওয়ার । শ্বাসযন্ত্রের শ্বাস নিতে কষ্ট দেখলে মুখ থেকে মুখ দিয়ে ( রেসকিউ শ্বাস ) শ্বাস দেওয়ার চেস্টা করুন । যদি আক্রান্ত রোগি পানি খাওয়ার মত অবস্থায় থাকেন তাহলে তিনিকে ঠান্ডা পানি বা পানীয় পান করতে দিন। এভাবে করতে থাকুন যতক্ষণ তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের নিচে না আসছে- সেই সাথে চেস্টা করবেন নিকটবর্তী মেডিক্যাল ইমারজেন্সি তে ভর্তি করানোর — ( অনেক সময় ইমারজেন্সি হাসপাতাল দূরে থাকায় অনেক রোগি পথেই মারা যেতে দেখা যায় – সে জন্য আপনার প্রাথমিক চেষ্টাই সবচেয়ে বড় সফলতা আনতে পারে , একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে ) যদি রোগি সরা সরি রৌদ্র বা অতিরিক্ত তাপমাত্রা থেকে আসেন তা হলে প্রথমেই শরির ঠান্ডা করার চিন্তা করবেন এবং দু এক মিনিট পর মাতায় পানি দেওয়ার চিন্তা করবেন । প্রথমেই সরা সরি শুধু মাতায় পানি দিলে পরিস্থিতি অন্য দিকে চলে যেতে পারে । তবে যদি রোগি সরা সরি রৌদ্র থেকে না আসে তা হলে মাথায় সরা সরি পানি দিতে অসুবিধা নাই । সাবধান খেয়াল রাখবেন অনেকে চেস্টা করেন এ সময় অতিরিক্ত জ্বর নামানোর জন্য এস্পিরিন জাতীয় ঔষধ ( ডিস্পিরিন, পেরাসিটামল ইত্যাদি ) খাওয়ালে টেম্পারেচার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে , ইহা কিন্তু মারাত্মক ভুল । আমার অনুরোধ থাকবে ঔষধ জাতীয় কিছু দিতে হলে আপনার চিকিৎসক আসলে দিবেন ( তাও হিট স্ট্রোকের বেলায় চিকিৎসকরা কিছু অনুমতি সাপেক্কে সেডেটিভ জাতীয় ইঞ্জেকশনের সুপারিস করতে পারেন – তাও এই সময়ে ইঞ্জেকশন জাতীয় কিছু পুশ করতে হলে তিনি কে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক হতে হবে, হেলথ রেগুলেটরির নিয়ম অনুসারে ) , তা ও কিন্তু অনেক রিস্কি বা উপস্থিত মুহূর্তে সে সময় আইভি জাতীয় সেলাইন ও তেমন সুফল দেখা যায় না – তার পর ও আপনার চিকিৎসক তিনির অভিজ্ঞতা দিয়ে আর ও অনেক ধরণের বেবস্থা আছে, তাই করবেন ।

আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এ জাতীয় অসুখে রোগি বিশেষজ্ঞ বা হাসপাতালে যাওয়ার আগেই যে কোন এক টি দিক পরিবর্তন করে ফেলে । তাই সকল মারাত্মক সমসসার সম্মুখীন হতে হয় প্রথমেই আপনার হাতের কাছের চিকিৎসকদের । মোটা মোটি ভাবে ৪৩/৫৯ মিনিটের ভিতর এ জাতীয় রোগের যে কোন একটি স্থায়ী দিক নিয়ে নেয় । ভাগ্য ভাল থাকলে কেউ কেউ সম্পূর্ণ সুস্থ বা কেউ কেউ একটু অন্যান্য জটিলতা থাকলে ও আপনার চিকিৎসকের সেবায় সম্পূর্ণ সেরে উঠতে পারেন । দুর্ভাগ্য বশত বলতেই হবে যারা মারা যাওয়ার, তারা এর ভিতরেই চলে যাবেন যা কোন অবস্থাতেই রক্ষা করা সম্বভ হয় না (এর মুল কারন ই হল জরুরি কিছু যন্ত্রপাতির অভাব বিশেষ করে গ্রামিন জনপদের )

 

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ: গরমের সময় দেহকে dehydrated হতে না দেওয়াই হচ্ছে একমাত্র প্রতিরোধক বেবস্থা । শরীরে পানির পরিমাণ স্বাভাবিক রাখতে প্রচুর পরিমাণ পানি, ডাবের পানি, ওরাল স্যালাইন বা ফ্রেশ জুস পান করা উচিৎ – বেশি গরমের সময় ব্যায়াম বা ভারি শারীরিক পরিশ্রম না করা ভাল । গরমের সময় ভারি কাপড় পরিধান না করা ( সাদা বা হালকা রঙের কাপড় পড়া ভাল কারন হালকা রং আরো সূর্যালোক প্রতিফলিত করে ) – যে কার ও বেলায় ঘামের সাথে দেহের লবন বেড়িয়ে যেতে পারে বিধায় শরির দুর্বল লাগলে অবশ্যই ডিহাইড্রেশন পরিহার করার জন্য এসব বেবস্থা করে যাওয়া উচিৎ । বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক লোক এবং উপরের যে পাঁচ টি অসুখের কথা বলা হয়েছে, তিনিদের বেলায় অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিৎ ।

 

 

এবারে স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণ নিয়ে কিছু ধারনা থাকার দরকার ( সকল প্রকার ) ঃ
মস্তিষ্কের কোন এলাকায় রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলো, কতটা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হল এসব বিষয়ের ওপর নির্ভর করেই লক্ষণগুলো দেখা দেয় এবং লক্ষণ সমূহ দেখা দেওয়ার পর যত দেরিতে চিকিৎসা করাবেন বা এর প্রকৃত কারন পেতে দেরি হবে অসুখ টি তথো ভিন্ন মাত্রায় ধাবিত হতে পারে । বা ( ২৪ ঘন্টা পার হয়ে গেলে ) শেষ পর্যন্ত চিকিৎসায় তেমন সফলতা নাও পেতে পারেন –
মুল উপসর্গ মুলত পাঁচ টি ঃ
– ১. হঠাৎ অতিরিক্ত মাথা ব্যথা ঃ- স্ট্রোকের আগে রোগীরা তীব্র মাথা ব্যথার শিকার হয়ে থাকেন। তীব্র মাথা ব্যথা অনেক কারনেই হতে পারে। অনেকের মাইগ্রেন আছে। তীব্র মাথা ব্যথা মাইগ্রেনেও হয়। কিন্তু যদি হঠাৎ করে কোন ধরনের কারণ ছাড়াই মাথার বাম অংশে তীব্র ব্যথা শুরু হয় তবে অবহেলা করবেন না। দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
২- হঠাৎ মুখ, হাত ও পা অবশ হয়ে যাওয়াঃ- (সাধারণত শরীরের যে কোন এক পাশ)। অনেক সময় মুখের মাংস পেশি অবশ হয়ে যায় ( ইহা স্ট্রোকের মুল লক্ষণ ) ফলে লালা ঝড়তে থাকে ।স্ট্রোক করার আগে রোগী দুই হাতে অস্বাভাবিক দুর্বলতা অনুভব করেন। রোগীকে সাথে সাথে হাত মাথার উপরে তুলে ধরতে বলবেন । যদি রোগী বলেন তিনি হাত তুলতে পারছেন না। কিংবা যদি লক্ষ্য করেন হাত ছেড়ে দিচ্ছেন তবে তাড়াতাড়ি করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে-

৩. হঠাৎ কথা বলতে এবং বুঝতে সমস্যা হওয়াঃ- মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেলে বা হ্রাস পেলে স্ট্রোক হয়। স্ট্রোকের আগে কথা জড়িয়ে যাওয়ার মাধ্যমে লক্ষণটি ধরা পড়ে। যদি কেউ কথা বলতে বলতে হঠাৎ অস্পষ্ট কথা কিংবা জড়িয়ে যাওয়া গলায় কথা বলতে থাকেন তবে অবশ্যই তা লক্ষণীয়। রোগীকে দিয়ে কথা বলানোর চেষ্টা করে দেখুন। যদি আসলেই জড়ানো কথা হয় তখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে ।
৪. হঠাৎ এক চোখে অথবা দুই চোখে দেখতে সমস্যা হওয়া বা মেমোরি সাময়িক হারিয়ে যাওয়া ঃ- স্ট্রোকের আগে রোগীরা তাদের আপনজনকেও চিনতে পারেন না এমনকি নিজের নাম পর্যন্ত ভুলে যান। ডাক্তারদের ভাষায় একে শর্ট মেমোরি লস বলে থাকেন। রোগীকে তার নিজের নাম জিজ্ঞেস করুন। তার পরিবারের লোকজনকে চিনতে পারেন কিনা তা দেখুন। তা না হলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন ।

৫. হঠাৎ শরীরের ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যাওয়া ঃ- মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনের বাঁধা পাবার ফলে শরীরের সাধারণ কাজ করার ক্ষমতা ব্যাহত হয়। ফলে হাত পা কিংবা অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের উপর স্ট্রোকের রোগীরা নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলেন । রোগীকে উঠে দাড়াতে বলুন। স্ট্রোকের লক্ষন হিসেবে তিনি উঠে দাঁড়াতে পারবেন না। সুতরাং স্ট্রোক অবশ্যম্ভাবী। তাকে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরমরশ নিতে হেব।
এ চাড়া ও অন্যান্য যে সব লক্ষণের মধ্যে ঃ–বমি, হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া–বারবার খিচুঁনি হওয়া– চৈতন্য বোধ লোপ এমনকি কোমায়ও চলে যেতে পারেন।
( স্ট্রোকের কারণে শরীরের কোন একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ঐ অংশ শরীরের যে অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে চালিত করত তা অবশ হয়ে যেতে পারে। মস্তিষ্কের ডান অংশ শরীরের বাম অংশকে পরিচালিত করে, আর বাম অংশ শরীরের ডান অংশকে পরিচালিত করে। কাজেই স্ট্রোকের কারণে মস্তিষ্কের কোন একটি অংশ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হলে শরীরের বিপরীত অংশ অবশ হয়ে যেতে পারে। যদি শরীরের এক অংশ অচল হয়ে যায় তখন তাকে হেমিপ্লেজিয়া (hemiplegia)/ পেরালাইসেস বলা হয়ে থাকে তবে শরীরের কোন অংশের কারনে হলে ধিরে ধিরে কিছু দিন পর সেরে উঠতে পারেন- বিশেষ করে টি আই এ ( সাময়িক কারনে ) হলে ২৪ ঘন্টার ভিতরে ৮০% রোগি ৮৭% কিছুটা সেরে উঠেন ।
হেমিপ্লেজিয়া (hemiplegia)/ পেরালাইসেস ঃ- ( তৃতীয় পর্বে দেখুন ) ধন্যবাদ

 

 

 

Heat Stroke
Heat stroke is also known as sunstroke, thermic fever, or siriasis. It happens when the body’s mechanisms for controlling temperature fail. Heat stroke is a life-threatening emergency needing immediate treatment. While many people feel sick and faint during heat waves, most of these people are suffering from heat exhaustion, a related condition usually less serious than heat stroke.
There are two types of heat stroke: classic, non-exertional heat stroke (NEHS) and exertional heat stroke (EHS). Classic heat stroke occurs most commonly in very young or older individuals, who have health risks and are in poor environmental conditions. Exertional heat stroke occurs more often in younger, healthy individuals who participate in strenuous physical activity.
Causes of Heat Stroke:- Working or exercising in hot conditions or weather without drinking enough fluids is the main cause of heat stroke. You can get heat stroke by not replacing lost fluids over days or weeks, or you can bring it on in a few hours by exercising strenuously on a hot day without drinking plenty of liquids first.
Liquids help to cool us down by allowing the body to produce sweat. However, liquids are also necessary for bodily functions, such as keeping up blood pressure. You can lose large amounts of body fluid in the form of sweat without noticing any effects, but at a certain point the body will reserve the remaining fluid for vital functions and stop sweating. The body’s core temperature then shoots up, and cells start dying.
Sweat evaporates more rapidly in dry weather, cooling the body more efficiently than in humid weather. When working in humid conditions, the core temperature rises more rapidly. This is why weather forecasts add a humidity factor or heat index to represent how you will actually feel outdoors.
People with the following conditions are especially prone to heat stroke:
alcoholism -chronic illnesses like heart disease -obesity -older age Parkinson’s disease -uncontrolled diabetes -use of certain medications such as diuretics and antihistamines -use of some psychoactive drugs such as alcohol and cocaine
Heavy clothing and some skin conditions can also contribute to the occurrence of heat stroke.
Symptoms and Complications of Heat Stroke:-
The symptoms of heat stroke are quite different from those of heat exhaustion.
Symptoms of heat exhaustion: moderately high core temperature (the temperature of the body’s internal organs, best measured with a rectal thermometer) of up to 39°C (102°F) – cool, pale, clammy skin – muscle cramps -headache – nausea – fatigue and weakness -dizziness or lightheadedness -possible fainting, but can be revived
A person suffering from heat exhaustion will usually be sweating profusely in an attempt to get rid of excess heat.
Symptoms of heat stroke:-extremely high core temperature of up to 41°C (106°F) – hot, red, dry skin -rapid pulse – rapid, shallow breathing – headache -confusion, strange behaviour – possible loss of consciousness
Someone with heat stroke has stopped sweating, due to a failure in his or her heat control system.
High core temperatures damage the internal organs, especially the brain. The fluid loss can also produce dangerously low blood pressure. Most people who are killed by heat stroke die when their heart stops pumping effectively (circulatory failure). Even people who survive are likely to have permanent brain damage if their core temperature has been over 40.6°C (105°F) for more than an hour or two
Diagnosing Heat Stroke:- Heat stroke is diagnosed by looking at signs and symptoms, such as body temperature, and finding out about the person’s recent activities
Treatment and Prevention:- Heat stroke is a medical emergency. Learn to recognize the symptoms listed above and take the appropriate action. The heat stroke victim needs to see a doctor as soon as possible, but the first step is to get the core temperature under control.
If you suspect someone has heat stroke, begin treating them immediately while someone else calls 9-1-1. Everything must be done to cool the heat stroke victim immediately. The best solution is to remove them from the sun, immerse the body in cold water, such as a river, stream, or bathtub. Otherwise, remove most of their clothes, douse them with water, and fan them vigorously. Wrapping in wet sheets can help increase the rate of heat loss. If the person is conscious and alert, offer him or her water or other fluids. Avoid caffeinated or alcoholic drinks because they dehydrate you.
If the victim starts shivering, slow down the cooling treatment because shivering raises core temperature. Take the person’s temperature every 10 minutes if you have a thermometer handy. You should not let the core temperature fall below 38°C (100°F), as this can result in an uncontrollable slide towards dangerously low temperatures (hypothermia). All the while you should be making arrangements to get the victim to an emergency room. Watch for signs of respiratory arrest (breathing failure) and be ready to give mouth-to-mouth resuscitation (rescue breathing).
The heat exhaustion victim should also be put in a cool place. Lay them down and give small gulps of liquid every few minutes. “Sports” drinks are best but water is often more readily available. You should watch carefully for signs of deterioration, but there’s no need to rush to a hospital for a normal case of heat exhaustion.
The way to prevent these problems is to drink very large amounts of liquid during heat waves, especially if you’re planning on working or exercising outdoors. If exercising, approximately 500 mL to 1.8 L of water should be consumed in the 3 hours before the activity with about 200 mL to 250 mL consumed every 20 minutes during the activity. Fluid loss continues after the activity is over, so it is important to continue to consume water for several hours after exercise. Some experts suggest continuing until urine is pale in colour.
You shouldn’t take salt tablets unless you’re also drinking a lot of water. When in very hot environments, drink every hour whether you feel like it or not, since thirst is a late indicator of dehydration. To prevent heat stroke:-Avoid heavy outdoor activities in the summer during the hottest times of the day. -Wear loose-fitting, light-coloured clothes – light colours reflect more sunlight. -Try to relax in the shade during the hottest part of the day. – Avoid coffee and alcohol, especially beer, due to their fluid loss effect.- Learn the technique of mouth-to-mouth resuscitation.

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

নেভিগেশন

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

আপনার অভিমত

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

আর্কাইভ

স্বাস্থ্য

%d bloggers like this: