আপনার স্বাস্থ্য

ডাঃ হেলাল কামালি

ঘুম – ১ম পর্ব

sl 1

( ঘুম কি ? রেম ও ননরেম ঘুমের ফিজিওলজি ও বায়োক্যামিক্যাল কিছু তথ্য )

Ref from:- CRICBristol ( MSU of Bristol ) National sleep foundation ( NHS )- Royal collage of Physician ( UK ) Professor A J Williams ( Sleep Specialist- Sleep council, Bristol ) and loots– Created by : Dr.H Kamaly


ঘুম কী?

উত্তরটি কারও জানা নেই অর্থাৎ ঘুম কি তা আমরা এখনো সম্পূর্ণরূপে জানিনা বা এর সুনির্দ্দিষ্ট সংজ্ঞা (Definition) এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা দিতে ও পারেন নি – যদি ও অনুমান করা হয় অক্সিজেন ও ক্রোমাতোফাইলের অভাব এবং কার্বনিক গ্যাসের বাহুল্য থেকে হয়ে থাকে কিন্তু তা অনুমান সাপেক্ষ বিধায় ইহা প্রমান সাপেক্ষ নয় ।

যদি ও দেখানো হয়েছে মস্তিষ্কের স্নায়ুমন্ডলিতে ঘুমের কেন্দ্রে প্রয়োজন মাফিক ক্যালসিয়াম আয়ন যখন ঢুকে পড়ে তখন আমাদের ঘুম পেতে থাকে অর্থাৎ ক্যালসিয়াম আয়ন (calcium ion) এর অন্যতম কাজ হল ঘুমের কেন্দ্র কে নিয়ন্ত্রণ করা । যেমন আমরা পরিশ্রান্ত হয়ে পড়লে নানা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আমাদের ঘুমের কেন্দ্রকে ভালমত সংবেদনশীল করে তোলার পর ক্যালসিয়াল আয়ন তার কাজ আরম্ভ করে আমাদের কে ঘুম পাড়ায় ।

সেই সাথে কেউ কেউ কতগুলো রাসায়নিক পদার্থকে ঘুমের জন্য দায়ী বলে মনে করেন, যেমন মিউরামিল, পেপটাইড, ইন্টালিউকন, আই এন্ড এস (অ টভঢ ও) ফাক্টর, তবে সব কিছুর পর বিজ্ঞানিরা স্বীকার করিতেছেন ‘ঘুম একটি জটিল প্রক্রিয়া ও অদ্ভুধ বিষয় যার প্রকৃত সংজ্ঞা এখন ও স্থির হয়নি ।

ঘুমেরকয়েকটিস্তরআছে ইহা সত্য এবং এইকয়েকটিস্তরপারহতেপারলেইঘুমসম্পূর্ণতাপায় ইহা ও সঠিক ।ঘুমেরওইস্তরগুলোপারহতেকারো৭-৮ ঘন্টা বা আরো বেশি সময় প্রয়োজন হয়। করো ঘুম ৪-৫ ঘন্ট বা আরো কম সময়েই সম্পূর্ণ হয়। আবার এমন ও দেখা যায় কেউ কেউ মাত্র ২-৩মিনিটেরমধ্যেইঘুমেরসমস্তস্তরপারহয়েপরিপূর্ণঘুমেরস্বাদগ্রহনকরতেপারেন ।

সে কারনে কতটুকু ঘুম প্রয়োজন তা নির্ভর করবে শরীরের চাহিদার ওপর । গড়ে ভালো নিশ্ছিদ্র ঘুম হলে আট ঘন্টাই যথেষ্ঠ এবং এতোটুকুই যে কারও শরীরের জন্য ভালো। ( শিশু ও বৃদ্ধদের বেলায় একটু ভিন্ন )

ঘুম নিয়ে বুজতে হলে ঘুমের স্থর নিয়ে জানা প্রয়োজন ।

ঘুমের স্তর (   বিদ্রঃ- ক্ষমা করবেন- রেম এবং নন রেম এ দুটি স্থরের নাম মনে না রাখতে পারলে লিখা সমুহ বুঝতে একটু বেশী কস্ট হতে পারে   )

আমাদের ঘুম কে মূলত দুই স্তরে ভাগ করা যায়। এই দুইটা স্তরই আমাদের জন্যে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রতিদিনকার ঘুমের ক্ষেত্রে এই দুইটা স্তরই পরিপূর্ণ হওয়াটা জরূরী। তবে যারা অল্প সময় করে বার বার ঘুমান, অর্থাৎ একটানা লম্বা ঘুম দেন না। তাদের রেম স্তর পাওয়ার সম্ভাবনা কম, পেলেও সেটা অল্প পরিমাণে। যা খুবি ক্ষতিকর আমাদের মস্তিষ্কের জন্যে ।

১- NREM(non-rapid eye movement) নন রেম ঃ-

– নন রেম ঘুম বলতে যা বুজায় — আমরা ঘুমাতে যাওয়ার পর থেকে গভীর ঘুমের চলে যাওয়ার সময় পর্যন্ত আমরা যে স্তরে থাকি সেটাকে বলা হয় ( নন র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট বা নন রেম ) ।

এই ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক নিষ্ক্রিয় থাকে, তবে শরীর নড়াচড়া করতে পারে। এই সময় হরমোন নি:সৃত হয় এবং দিনের ক্লান্তি দূর হয়ে শরীর আবার সতেজ হয়ে ওঠে। নন রেম ঘুমের ও আবার চারটি স্তর আছে।

১। ঘুমের আগের স্টেজ – মাংসপেশি শিথিল হয়, হৃদস্পন্দন কমে আসে, শরীরের তাপমাত্রা কমে। ২। হাল্কা ঘুম – এই স্টেজে সহজেই ঘুম ভেঙ্গে যায়, চারপাশ সম্বন্ধে স্বাভাবিক সচেতনতা থাকে। ৩। ‘স্লো ওয়েভ ঘুম’ – ব্লাড প্রেসার কমে, এই স্টেজে লোকে ঘুমের ঘোরে হাটে বা কথা বলে। ৪। গাঢ় ‘স্লো ওয়েভ ঘুম’ – ঘুম সহজে ভাঙতে চায় না। ভেঙ্গে গেলে চারপাশ সম্বন্ধে স্বাভাবিক সচেতনতা থাকে না।

তবে নন্ রেম ঘুমে ৮০% বেলায় স্বপ্ন দেখতে পান না দেখলে ও ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখতে হয় । ৯০% বেলায় রাতে ঘন্টা দুয়েক বাদে বাদে মিনিট খানেকের জন্য ঘুম ভাঙতে পারে। যা আমাদের সবসময় মনে থাকে না। এগুলি আমাদের মনে থাকে যদি আমরা চিন্তায় থাকি, কিংবা অন্য কোনো অসুবিধা হয় (যেমন অন্য কেউ যদি নাক ডাকায় বা বাইরে যদি কোনো আওয়াজ হয় অথবা সন্দেহ জনিত ঘুম আসে তখন — বিস্তারিত নাক কেন ডাকে পর্বে )। তবে আমরা রাতে রেম এবং ননরেম ঘুমের মধ্যে থাকি, অন্তত পাঁচবার এবং এই স্টেজগুলি ঘুরে ঘুরে আসে বিধায় সকালের দিকে আমরা বেশি স্বপ্ন দেখি । ( বিস্থারিত আমরা স্বপ্ন কেন দেখি পর্বে )

২– র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট (রেম) REM :- সারা ঘুমের পাঁচ ভাগের এক ভাগ আমাদের এই ঘুমে কাটে। রেম ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক সজাগ থাকে, আমাদের মাংসপেশি শিথিল থাকে, আমাদের চোখ এদিক থেকে ওদিকে ঘুরতে থাকে এবং এ সময় ৮০% আমরা স্বপ্ন বেশি দেখি। ছোট বাচ্চা এবং যারা ঘুমানর আগে পবিত্র বা চাপমুক্ত মন নিয়ে ঘুমিয়ে থাকেন তাদের বেলায় এই রেম ঘুম একটু বেশি হয়ে থাকে ।

স্লিপ ডিসঅর্ডার বা ঘুমের সমস্যাকে যে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়

১. অবসট্রাকটিভ প্রি অ্যাপনিয়া ২. অ্যাডভান্স্ড ফেজ স্লিপ সিনড্রোম ৩. ব্রুক্সিজম ৪. ডিলেড ফেজ স্লিপ সিনড্রোম ৫. ফাইব্রোমায়ালজিয়া (ফাইব্রোসাইটিস সিনড্রোম) ৬. গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফাক্স ৭. ইডিওপ্যাথিক সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম হাইপার সমনিয়া ৮. ইনসমনিয়া বা অনিদ্রা ৯. মুড ডিজর্ডার১০. নারকোলেপসি ১১. নাইটমেয়ারস ১২. নকটারনাল ইনিউরেসিস ১৩. প্যানিক ডিসর্ডার ১৪. পিরিওডিক লিম্ব মুভমেন্ট ডিজর্ডার (নকটার্নাল মায়োকোনাস) ১৫. রেম স্লিপ বিহ্যাভিয়ার ডিজর্ডার ১৬. রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম ১৭. রিদমিক লেগস সিনড্রোম ১৮. শিপ্ট ওয়ার্ক স্লিপ ডিজর্ডার ১৯. স্লিপ ইন ইটিং ডিজর্ডার ২০. স্লিপ হাইপার হাইড্রসিস ২১. স্লিপ প্যারালাইসিস ২২. স্লিপ টকিং বা কথা বলা ২৩. স্লিপ টেররস বা ভয় পাওয়া ২৪. স্লিপ ওয়াকিং এবং স্লিপ ইটিং ২৫. স্নোরিং বা নাক ডাকা । তবে ৮০% বেলায় অনিদ্রা বা ইন্সোমেনিয়াই বেশী দেখা দেয় ।

রেম ও ননরেম ঘুমের ফিজিওলজি ও বায়োক্যামিক্যাল কিছু তথ্য ঃ- ( শিক্ষণীয় বিষয় )

হার্টের অসুখে ঃ

উচ্চরক্তচাপওহৃদরোগঘুমেরসময় পরিবর্তনঘটতেপারেএবংপ্রাথমিকভাবেক্ষেন্দ্রিয় স্নায়ুতন্ত্রেরকার্যকলাপদ্বারানির্ধারিতহয় – সে কারনে উচ্চ রাক্ত চাপের রোগিদের পর্যাপ্ত ঘুম অত্তান্ত জরুরী – তবে মায়োকারডিয়েল রোগিদের বেলায় শেষ স্থরের গুম ( সকালের রেম ঘুম খুবী বিপজ্জনক – পরীক্ষিত ) – সে কারনেই যারা নন রেমে ভোগেন তাদের বেলায় উচ্চরক্তচাপেভোগারবানিয়ন্ত্রিতরক্তচাপবেড়েযাওয়ারসম্ভবনাবেশী। তাছাড়ারাতজাগারোগীদেরমধ্যেহার্টঅ্যাটাকওস্ট্রোকেরপ্রাদুর্ভাব এম্নিতেই বেশীদেখাদিবেই ।

স্নায়বিক ঃ- ভাল ঘুম মস্তিষ্ক কোষ এবং মস্তিষ্কের কোষের মধ্যে সংযোগ উন্নয়নে ভাল ভূমিকা রাখে . নতুন নিউরোন (নিউরোজেনেসিস) গঠন করার ক্ষমতা এবং গতি বাড়াতে সাহায্য করে – অর্থাৎ সঠিক চিন্তা শক্তি যোগাতে সহায়তা করে ( মিউরামিল, পেপটাইড, ইন্টালিউকন, আই এন্ড এস বৃদ্ধি পায় ) । সে কারনেই অনেকের পূর্ণ স্টেইজের ঘুম না হলে খুব বেশি রাগ করতে দেখা যায় — ( Memory processing )

আন্ত্রিক ভাবে – নন রেম ঘুম কম হলে , স্নায়ুজনিত কারনেই ভেগাস নার্ভ সমুহ এমনিতেই উক্তেজিত হয়ে পড়ে- ফলে — বুক জ্বালাপোড়া করা,পেপটিক আলসার,বমি বমি ভাব,বমি হওয়া,নাস্তা গ্রহণে অনীহা, ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রোম(IBS),ডায়রিয়া,কোষ্ঠকাঠিন্যসহনানাসমস্যাদেখাদিতেপারে।

শ্বাসতন্ত্র ঃ

ঘুমের সময় শ্বাসযন্ত্রের বায়ুচলাচলের প্রবাহ পরিবর্তন হয় বিশেষভাবে Rem ঘুমের সময় । ফলে রক্তের দূষিত কার্বনডাই অক্সাইড খুব বেশি পরিমানে পরিশোধিত হওয়ার জন্য ফুস্ফুসের আপার লোভে চলে আসে – এই কারনে ঘুমের পর পর ( রেমের ২য় স্থরে ) শরিরের তাপ মাত্রা ১ ডিগ্রী বেড়ে থাকে -যাদের কাশি বা হাঁপানি আছে রেম স্লিপের সময় তা বৃদ্ধি পেতে দেখা যায় । মোঠ কথায় প্রমান অনুসারে দেখানো হয়েছে মস্তিস্কে বিশুদ্ধ অক্সিজেন যোক্ত রক্ত সরবরাহের জন্য ভাল ঘুম অত্তান্ত জরুরী ।

সেরিব্রাল রক্ত প্রবাহ:

বিশেষ করে নন রেম ঘুমে রক্তপ্রবাহএবংবিপাকউল্লেখযোগ্যভাবেকমেযায় কিন্তু যখন আমরা রাত্রি জাগরন বা নন রেম ঘুম না করে থাকি তা হলে শরিরের মেটাবোলিজম এবং রক্ত প্রবাহ অনিয়ন্ত্রিত ভাবে বৃদ্ধি করে -সেই সাথে আমাদেরমস্তিষ্ককোষের গ্লুকোজের পরিমাণ বেশী প্রয়োজন হয় এবং যথেষ্টপরিমাণআভ্যন্তরীণগ্লাইকোজেনসঞ্চয়নিঃশেষহয়ে যায় । সে কারনেই অনিদ্রাজনিত রোগীদের মিজাজ কর্কশ হয়ে থাকে । কিন্তু নন রেম ঘুম ঠিক হলে সেই গ্লাইকোজেনের অবচয় কম হয় ফলে চিন্তা ও বুদ্ধি শক্তি ভাল থাকে । তবে যদি নন রেম ঘুম কম হয় তা হলে প্রথমেই গ্লাইকোজেনের অভাব বা মস্তিস্কের সেরিব্রাল রক্ত প্রবাহে গ্লকোজের ঘাটতি দেখা দেওায় Fibromyalgia দেখা দিতে পারে ( মাথাব্যাথা,শরীর ব্যাথা ও ম্যাজম্যাজ করা ) সেই সাথে করটিসল হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক ।

রেচন তত্র ঃ-

ননরেম ঘুম রেচনতন্ত্রের প্রস্রাব প্রবাহে সোডিয়াম- পটাশিয়াম- ক্লোরাইড এবং ক্যালসিয়াম কমিয়ে রাখে এবং সেই সাথে রেচন তন্ত্রের রক্ত প্রবাহ, গ্লোম্রুলার ফাইব্রেশন, হরমোন সেক্রেশন , সহানুভূতিশীল স্নায়বিক উদ্দীপনা কে ধমিয়ে রাখে – যার কারনে নন রেম ঘুম যাদের হয়না ( এক ধরনের অনিদ্রা বলা যায় ) ৮০% বেলায় এই সব অসুখ বিশুখ ( মুত্র – কিডনি পাথর- যৌন শক্তি হ্রাস ইত্যাদি ) হওয়ার সম্বাভনা অন্যান্যদের চাইতে অনেকে বেশী । ( পরীক্ষিত )

গ্রন্থিরস :

গ্রোথ হরমোন , থাইরয়েড হরমোন , মেলাটনিন হরমোন নন রেম ঘুমের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে । বিশেষ করে ঘুমানুর ঘন্টা খানেক পরই এরা বেশী রস নিঃসরণ করে অন্য দিকে থারয়েড হরমোন আবার সন্ধ্যার পর বেশী রস নিঃসরণ করে থাকে – ( করটিসল নিঃসরণ হয়ে অনিদ্রার সময় বা নন রেম ঘুম না হলে ) সে কারনেই সবল ও সুস্থ সন্তান জন্ম দিতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা নিচের উপদেশ টি দিয়ে থাকেন । স্বামী শ্রীর সহবাস সংক্রান্ত মিলনের প্রকৃত সময় বিচানায় যাওয়ার এক ঘন্টা পর অথবা নন রেম ঘুমের প্রথম স্থরের পর সহবাস সব চেয়ে ভাল । যা কিনা একজম মহিলা ভাল বুদ্ধি সম্পন্ন শিশু উপহার দিতে সক্ষম । —-

যে সকল মহিলাদের নন রেম ঘুম হয়না এবং দীর্ঘদিন নন রেম জাতিয় অসুখে ভোগেন তাদের বেলায় প্রজেস্টারন ও ইস্ট্রোন হরমোনের মারাত্মক ঘাটতি দেখা দেয় – ফলে তাদের যৌনাকাঙ্খাও (Libido) কমে গিয়ে অনেক সময় কোন কোন ক্ষেত্রে সন্তান না হওয়ার মত সমস্যা হতে পারে । তবে এর আগে অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা,ব্যাথাযুক্ত মাসিক,মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ইত্যাদি নানা শ্রী রোগ জাতিয় সমস্যা পরিলক্ষিত হয়- ঠিক তদ্রুপ পুরুষদের বেলায় টেস্টারন হরমোনের গোলাযোগ ঘটে এবং পরবর্তীতে যৌন শক্তি হ্রাস পেতে দেখা যায় ( (Parker and Dunbar )

দীর্ঘ দিন যারা নন রেম ঘুম থেকে বঞ্ছিত হয়ে থাকেন তাদের শরীরে কর্টিসল হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায় যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।আর এই গ্লুকোজের রেসপন্সে বেশী করে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়।কিন্তু রাতের বেলা মাংসপেশীর নড়াচড়া কম থাকায় বা খাদ্যের চাহিদা কম থাকায় ইনসুলিন এই গ্লুকোজকে ফ্যাট সেলে চর্বি হিসাবে জমা হতে সাহায্য করে।তাছাড়া রাত জাগার কারণে ক্ষুধা নিবারণকারী লেপটিনের(Leptin) মাত্রা কমে যায় এবং ক্ষুধা উদ্রেককারী গ্রেলিনের(Ghrelin)মাত্রা বেড়ে যায়।ফলে সামগ্রিক ক্রিয়ায় দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ওজন বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে পরপর ৪ রাত ঠিকমত না ঘুমালে ইনসুলিনের প্রতি কোষের সংবেদনশীলতা ১৬% কমে যায় যা ওজন বৃদ্ধি,প্রি-ডায়াবেটিকওডায়াবেটিকহওয়ারঝুঁকিবাড়ায়এবংনিয়ন্ত্রিতডায়াবেটিসকেঅনিয়ন্ত্রিতহওয়াই স্বাভাবিক ।

এ ছাড়া ও কোষ বিভাজন এবং ইমিউন সিস্টেমে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা আছে ।

পরবর্তীতে অনিদ্রা বা ইন্সমনিয়া কিভাবে হয় – কেন হয় – কি করতে হবে ইত্যাদি বিষয় জানতে পারবেন —— ধন্যবাদ ( ডাঃ হেলাল কামালি )

Advertisements

One comment on “ঘুম – ১ম পর্ব

  1. shaharparabd
    সেপ্টেম্বর 22, 2015

    Thanks

    Like

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

Information

This entry was posted on সেপ্টেম্বর 22, 2015 by in Uncategorized.

নেভিগেশন

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

আপনার অভিমত

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

আর্কাইভ

স্বাস্থ্য

%d bloggers like this: