আপনার স্বাস্থ্য

ডাঃ হেলাল কামালি

ধনুষ্টঙ্কার ( Tetanus ) অথবা দাঁতকপাটি

সংজ্ঞা ঃ– জীবাণুটির নাম ক্লসট্রিডিয়াম টিটানি ব্যাক্টোরিয়া যা থেকে টিটেনোপ্লাজমিন নামের বিষ বা টক্সিন তৈরি করে। এই টক্সিন স্নায়ুকোষকে আক্রমণ করে। ফলে শরীরের মাংসপেশিগুলো শক্ত হয়ে যায় এবং প্রচণ্ড খিঁচুনি হয়।

Definition : Tetanus is an infection of the nervous system with a type of bacteria that is potentially deadly, called Clostridium tetani (C. tetani).

 

 

কি কি কারনে হয় হয় ?

টিটেনাস রোগের জীবাণু সাধারণত মাটি, ধুলাবালি, গোবর , ময়লা-আবর্জনা, লোহার মরিচা ইত্যাদির মধ্যে ঘুমন্ত অবস্থায় লুকিয়ে থাকে বিধায় নিম্নলিখিত কারনে অসুখ টি হতে পারে ।

যে কোন ময়লা ক্ষত বিশেষ করে সড়ক দূর্ঘটনা,ময়লা পেরেক,টিন,পিন ( বিশেষ করে জুতার নিচ দিয়ে অনেকের পায়ের তলায় পিন ঢোকে যাওয়া ) ইত্যাদি দিয়ে আঘাত প্রাপ্ত হলে ।

শরীরের চামড়া বেশী পরিমান আগুনে পোড়লে — মানুষের কামড় বা জীবজন্তুর দংশনে — দূষিত যন্ত্র দিয়ে অস্ত্রোপচার করলে– মায়ের জরায়ুতে ভ্রণের মৃত্যু হলে– হাড় ভেঙে চর্মভেদ করে বেরোলে– দূষিত সিরিঞ্জ দিয়ে ইনজেকশন নিলে– ত্বকে দীর্ঘ দিনের কিংবা দুর্গন্ধজনিত ঘা থাকলে–প্রসবকালীন দূষিত উপায়ে নাড়ি কাটলে অথবা ছাই, মাটি ইত্যাদি দিয়ে নাভি আবৃত করলে–

অবশ্য গ্রামীণ অঞ্ছলে পশুর মলের মাধ্যমে শরীরের যে কোন কাটা স্থানে জীবাণুটি আক্রমণ করে এবং হাসপাতাল সমুহে সঠিক ভাবে অস্রপাচারের যন্ত্রপাতি সমুহ পরিস্কার না করে ব্যাবহারের ফলে- নবজাতকদের বেলায় নাড়ি কাটার সময় পুরাতন ব্লেড কিংবা চাকুর ব্যাবহারে ৮০% বেশী সম্বাভনা থাকে ধনুষ্টংকার বা টিটেনাস হওয়ার ।

 

কিভাবে হয় ?

ধনুষ্টংকার বা টিটেনাস যে জীবাণু থেকে হয় তার নাম ক্লোসট্রেডিয়াম টিটানী। । Clostridium tetani ব্যাকটেরিয়াটি এক ধরনের কোষ তৈরীকারী এনেরবিক ব্যাকটেরিয়া। অর্থাৎ এটি বংশবৃদ্ধি করে অক্সিজেন শূণ্য মাধ্যমে (এনেরবিক) এবং এটি অক্সিজেন শূণ্য কোষ তৈরী করতে পারে। এ কারণে এটি আমাদের শরীরের আঘাত প্রাপ্ত জায়গার কলাতে (টিস্যু) বংশবৃদ্ধি করে ফলে সেই কোষে এরবিক ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতির ফলে কারণে অক্সিজেন শূণ্য পরিবেশ তৈরী করে এক বিশেষ ধরনের টক্সিন (বিষ জাতীয় পদার্থ) তৈরী করে। উক্ত টক্সিন আমাদের শরীরের রক্তের মধ্য দিয়ে ঢুকে স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রান্ত করে এবং স্পাইনাল কর্ডের মাধ্যমে সারা শরীরের মাংসপেশি সমুহে কাপুনি বা খিঁচুনির সৃষ্টি করে । জীবাণুটির আক্রমণ করতে সময় লাগে ৩ দিন থেকে ৩ সপ্তাহ ।

Causes

Spores of the bacteria C. tetani are found in the soil, and in animal feces and teeth. In the spore form, C. tetani can remain inactive in the soil. But it can remain infectious for more than 40 years.

You can get tetanus infection when the spores enter your body through an injury or wound. The spores release bacteria that spread in the body and make a poison called tetanospasmin (also known as tetanus toxin).

This poison blocks nerve signals from your spinal cord to your muscles, causing severe muscle spasms. The spasms can be so powerful that they tear the muscles or causefractures of the spine.

The time between infection and the first sign of symptoms is about 7 to 21 days. Most cases of tetanus in the United States occur in those who have not been properly vaccinated against the disease.

 

লক্ষণ ঃ

যেহেতু উক্ত টক্সিন আমাদের শরীরের রক্তের মধ্য দিয়ে ঢুকে স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রান্ত করে তখন যে যে লক্ষণ দেখা দেয় তা হল ঃ-

 

প্রথম দিকে ঘাড়, শরীরের পেছন দিক এবং পেটে ব্যথা হতে পারে– জ্বর হতে পারে — মাংসপেশিগুলো সংকুচিত হতে থাকে এবং প্রচণ্ড খিঁচুনি হতে পারে। মুখের মাংসপেশিগুলো শক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে হাঁ করতে অসুবিধা হয় — শরীরের পেছনের মাংসপেশিগুলো সংকুচিত হয় বলে পুরো শরীর ধনুকের মতো বেঁকে যায় — যেকোনো ব্যথা, শব্দ, আলো ইত্যাদির কারণে খিঁচুনি আরম্ভ হয় এবং ৩-৪ মিনিট স্থায়ী হয়– শ্বাসকষ্ট হয় এবং রোগী ঢোক গিলতেও পারে না — শরীরের কাটা জায়গা, যার মাধ্যমে জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে, সেখানে ইনফেকশন হতে পারে — খিঁচুনির পর বিরতি দিয়ে আবার খিঁচুনি হয় — খিঁচুনির সময় রোগী গোঙাতে থাকে৷ রোগ যত কঠিনের দিকে যায় ততই রোগীর ঘন ঘন খিঁচুনি হয় – তীব্রতা অনুযায়ী খিঁচুনি কয়েক সেকেন্ড থেকে ৩-৪ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে যা অনৈচ্ছিক, বেদনাদায়ক ও অত্যন্ত কান্তিদায়ক ।

নবজাতকদের বেলায় জন্মের ৩-২৮ দিনের মধ্যে শিশু অসুস্থ্য হয়ে পড়ে এবং শিশু বুকের দুধ খাওয়া বন্ধ করে দেয়, শিশুর মুখ ও চোয়াল শক্ত হয়ে যায় এবং জোরে কাঁদতে পারে না। শিশুর খিঁচুনী হয় এবং শরীর পেছনের দিকে ধনুকের মতো বাঁকা হয়ে যায়। ( যাকে টিটেনাস নিওনেটরাম বলে এবং টিটেনাসের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত রোগ প্রকাশ পেতে ৬-১০ দিন সময় লাগে। এই রোগে আক্রান্ত রোগির মৃত্যুহার ৪০-৮০ শতাংশ)

Symptoms

Tetanus often begins with mild spasms in the jaw muscles (lockjaw). The spasms can also affect your chest, neck, back, and — abdominal muscles — opisthotonos Back muscle spasms often cause arching, called .

Sometimes the spasms affect muscles that help with breathing, which can lead to breathing problems.

Prolonged muscular action causes sudden, powerful, and painful contractions of muscle groups. This is called tetany. These episodes can cause fractures and muscle tears.

Other symptoms include: — Drooling — Excessive sweating — Fever — Hand or foot spasms –Irritability — Swallowing difficulty — Uncontrolled urination or defecation

 

 

জঠিলতা হিসাবে রোগির যা দেখা দিতে পারে ঃ

ফুস্ফুসের বায়ু থলি বন্ধ বা অচেতন হয়ে শ্বাসতন্ত্র বিকল হয়ে হেতে পারে – হার্ট ফেইলার, নিউমোনিয়া সহ ব্রেইনের কারজক্ষ্যামতা নস্ট হয়ে যাওয়া অথবা পরবর্তীতে স্থায়ী ভাবে মাংসপেশির কম্পন তেকে যেতে পারে ।Possible Complications :- Airway obstruction —Respiratory arrest — Heart failure — Pneumonia — Brain damage due to lack of oxygen during spasms

পরিক্ষা-নিরিক্ষা ঃ-

সরাসরি লক্ষণ ও ইতিহাস ছাড়া তেমন কোন পরিক্ষার দ্বারা টিটানি সনাক্ত করন সম্বভ হয়না – তারপর ও চিকিৎসক রক্ত ও লালা পরীক্ষা করার কথা বলতে পারেন – প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসক স্পাটুলা পরীক্ষা পদ্ধতিতে ( টোঠের উপরে চেপ্টা চামচের মত অ্যাঙ্গেল দিয়ে গ্যাং রিফ্লেক্স করে কি না বুজার চেস্টা করেন ) – এখানে উল্লেখ করতেই হয় অনেক সময় শিশুদের বেলায় মেনিঞ্জাইটিসের খিচুনির ও সমান ভাবে দেখা দেয় শুধু পার্থক্য টিটানির দ্বারা আক্রান্ত রোগির মাথা ও দেহ পিছন দিকে স্পাইনাল সমুহ ধনুকের মত বাঁকা হয়ে যায় ইত্যাদি । আর ও বিশধ ভাবে জানার জন্য নিচের লিঙ্কে দেখতে পারেন (http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC1235798/ )

Exams and Tests

Your doctor will perform a physical exam and ask about your medical history. No specific lab test is available to diagnose tetanus.

A spatula test can help confirm tetanus if there is any doubt about the diagnosis. It involves inserting a spatula into the back of your throat. The spatula will cause a gag reflex and you will try to push the spatula out of your mouth. If you have the infection, the spatula will cause your throat muscles to spasm and you to bite down onto the spatula.

http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC1235798/

Tests may be used to rule out meningitis– rabies , strychnine poisoning, and other diseases with similar symptoms.

 

চিকিৎসা ঃ( Antitoxin ( (TIG) + Antibiotics + Sedatives + Other drugs (magnesium sulfate and certain beta blockers _= Medications )

৯০% রোগিকে হাস্পাতালে রেখেই চিকিৎসা করতে হয় – সে জন্য রোগিকে যেখানে আলো ও শব্দ কম থাকে সেখানেই রাখতে হয় এবং সেই সাথে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা যে সকল ব্যাবস্থা গ্রহন করার কথা বলে থাকেন –

প্রথমেই আক্রান্ত ক্ষতস্থান কে হাইড্রোজেন-পারঅক্সাইড দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে এবং প্রয়োজনে ক্ষত স্থানে ঘা ময়লা বা অন্য কিছু থাকলে তা সরানোর চেস্টা করা উচিৎ ( ভাল হবে সে সময় রোগিকে অক্সিজেনের ব্যাবস্থা গ্রহন করতে দিলে )

এরপর টিআইজি বা টিটেনাস ইমিউনোগ্লোবিউলিন ইনজেকশন দিয়ে টক্সিনকে নিষ্ক্রিয় করার চেস্টা করেন এবং আগে যদি টিটেনাস ভেকসিন দেওয়া না থাকে তাহলে তিনটি টিআইজি দিতে হয় ।

একি সাথে উচ্চ ক্ষ্যামতা সম্পন্ন পেনিসিলিন ইনজেকশন দিতে হয়, কেউ কেউ কম্বাইন্ড হিসাবে মেট্রোনিডাজল অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যাবহার করে থাকেন ( আইভি সেলাইনে বা শিরাপতে দিয়েই থাকেন ) এন্টিবায়োটিকে অ্যালার্জি থাকলে এর বিকল্প ব্যাবস্থা গ্রহন করে থাকেন । খিঁচুনি ও মাংসপেশির শক্তভাব কমানোর জন্য ডায়াজিপাম, লোরাজিপাম , ক্লোরপ্রোমাজিন অথবা কেন্দ্রীয় স্নায়ু নিস্থেজ কারক ইনজেকশন শিরাপতে ব্যাবহার করে থাকেন । ( এই সব ব্যাবস্থা অবশ্যই অভিজ্ঞ বা দক্ষ চিকিৎসকের মাধ্যমে করাই ভাল )

Treatment.

Treatment may include:  Antibiotics — Bedrest with a calm environment (dim light, reduced noise, and stable temperature) — Medicine to reverse the poison (tetanus immune globulin) — Muscle relaxers, such as diazepam — Sedatives — Surgery to clean the wound and remove the source of the poison (debridement)– Breathing support with oxygen, a breathing tube, and a breathing machine may be necessary

 

 

প্রতিরোধ ঃ

ভ্যাকসিন নেওয়াই একমাত্র প্রতিরোধ ব্যাবস্থা – কেননা জীবাণুটি আক্রমণের আগে প্রতিরোধ করে রাখা খুব সহজ । বিশেষ করে যে কোন দুর্ঘটনা বশত শরীরের কোন জায়গা কেটে গেলে – তবে পুরাতন লোহা বা জং ধরা ঠিন অথবা আগুনে পোড়ে গেলে অবশ্যই সঙ্গে সঙ্গে ইনজেকশন নেওয়া উচিৎ । ( টিটেনাস টক্সেয়ড ০.৫ মিলিগ্রাম গভীর মাংসে নিতে হবে৷ এর জন্য কোনওরূপ স্কিন টেস্ট করার প্রয়োজন নেই৷ পুনরায় ১ মাস পর আরেকটা ইনজেকশন টিটেনাস টক্সয়েড নিতে হবে যা ১ বছর পর্যন্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে । আর দীর্ঘ মেয়াদি এটিএস নিলে ১০ বছর পর্যন্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে তবে ের জন্য অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন রয়েছে কি না তা পরীক্ষা করে নিতে হবে। )

গর্ভবতী মায়ের যদি আগের টিট দেওয়া না থাকে ঃ- তা হলে ২ টি ইঞ্জেকশন দেওয়া উচিৎ – গর্ভকালীন পঞ্চম বা ষষ্ঠ মাসে একটি এবং তার এক মাস পর আরেকটি টিকা দিতে হবে। যদি আগের গর্ভকালীন দুটো টিকা নেওয়ার ইতিহাস থাকে এবং পাঁচ বছরের মধ্যেই আবার গর্ভধারণ হয়ে থাকে তবে দ্বিতীয়বারে পঞ্চম মাসে একটি টিকা নিলেই হবে ।

 

শিশুর জন্মের পর টিটি টিকা দেয়ার সময় ঃ- প্রথম ডোজ জন্মের প্রথম দিন, দ্বিতীয় প্রথম ডোজের ৪ সপ্তাহ পর, এর সময়কাল ৩ বছর পর্যন্ত তৃতীয় দ্বিতীয় ডোজের ৬ মাস পর, এর সময়কাল ৫ বছর পর্যন্ত চতুর্থ তৃতীয় ডোজের ১ বছর পর, এর সময়কাল ১০ বছর পর্যন্ত পঞ্চম চতুর্থ ডোজের ১ বছর পর তা হলে সারা জীবন প্রতিরোধ ক্ষ্যামতা থাকবে ।

১৫-৪৫ বছর বয়সের নারীদের ধনুষ্টংকার রোধে পাঁচটি টিকা দেওয়ার সময় সুচি ঃ । ( যা উক্ত নারীর ভবিষ্যতের নবজাতকদেরও ধনুষ্টংকার থেকে রক্ষা করবে এবং নিজে রক্ষা পাবেন )

প্রথম ডোজটি দেওয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজটি দিতে হবে। তৃতীয় ডোজটি নিতে হবে এক বছর পর। চতুর্থ ডোজটি নিতে হবে পরবর্তী দুই থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে। তার ঠিক এক বছর পর নিতে হবে পঞ্চম ডোজটি।টিটেনাসের দ্বিতীয় টিকাটি তিন বছরের জন্য সুরক্ষা দেয়। তৃতীয় টিকাটি সুরক্ষা দেবে পাঁচ বছর পর্যন্ত। ১০ বছরের জন্য সুরক্ষিত করবে চতুর্থ টিকাটি। পঞ্চম টিকাটি অর্থাৎ সর্বশেষ টিকাটি ৩০ বছরের জন্য ধনুষ্টংকার থেকে রক্ষা করবে।

( মনে রাখবেন টিটানি আক্রান্ত জায়গায় নুখ দিয়ে চুলকালে উক্ত নুখের গোড়াতে ব্যাকটেরিয়া চলে যায় এবং তা থেকে অন্য জায়গায় সংক্রামিত হতে পারে )

Prevention :-  ( IMMUNIZATION )

Tetanus is completely preventable by being immunized (vaccinated). Immunization usually protects against tetanus infection for 10 years.

In the United States, immunizations begin in infancy with the DTaP series of shots. The DTaP vaccine is a 3-in-1 vaccine that protects against diphtheria, pertussis , , and tetanus.

Td vaccine or Tdap vaccine is used to maintain immunity in those age 7 and older. Tdap vaccine should be given once, before age 65, as a substitute for Td for those who have not had Tdap. Td boosters are recommended every 10 years starting at age 19.Older teenagers and adults who get injuries, especially puncture-type wounds, should get a tetanus booster if it has been more than 10 years since the last booster.

If you have been injured outside or in any way that makes contact with soil likely, contact your health care provider about your risk of getting tetanus infection. Injuries and wounds should be thoroughly cleaned right away. If the tissue of the wound is dying, a doctor will need to remove the tissue.

You may have heard that you can get tetanus if you are injured by a rusty nail. This is true only if the nail is dirty and has the tetanus bacteria on it. It is the dirt on the nail, not the rust, that carries the risk of tetanus ।

 

জঠিলতা ঃ

 

টেটেনাস আক্রান্ত রোগির সময় মত সঠিক চিকিৎসা না পেলে ৪ জনের জনের মধ্যে ১ জন মারা যায় এবং সঠিক চিকিৎসা পাওয়ার পরও ১৫% মারা যাওয়ার সম্বাভনা থেকেই যায় এর মধ্যে শিশুরাই বেশী । এরপর ও রোগি যদি বেচে থাকে তাহলে ৬০% বেলায় স্থায়ী বিকলাঙ্গ হওয়ার সম্বাভনা আছেই ।

Outlook (Prognosis)

Without treatment, 1 out of 4 infected people die. The death rate for newborns with untreated tetanus is even higher. With proper treatment, less than 15% of infected patients die.

 

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

আপনার অভিমত

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

আর্কাইভ

স্বাস্থ্য

%d bloggers like this: