আপনার স্বাস্থ্য

ডাঃ হেলাল কামালি

গ্লুটেন ( পর্ব– ১ ) অনিয়ন্ত্রিত পায়খানার বা IBS এর জন্য ৮৫% এবং ফুড এলার্জির জন্য ৯০% দায়ী

glu 1ফুড এলার্জির জন্য

-নিম্নের  ৮ টি খাবার কে বেশী দায়ী করা হয়েছে এবং সে জন্য ফুড ক্যাটারিং ও রেস্ট্রুরেন্ট সমূহ কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে – প্রত্যেকের খাবার চাটে যেন তা উল্লেখ থাকে নতুবা ৫ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে এবং সেই সাথে উক্ত খাবার সমুহ সম্মন্ধে সংশ্লিষ্ট সকলের ভাল ধারনা থাকতে হবে , বিশেষ করে সেফ ও তান্দুরি সেফের । নিম্নের খাবার সমুহ শুধু এলার্জির  টলারেন্স কে বাড়িয়ে দেয় তা নয়,  এক এক জনের একেক রকমের  হতে পারে । তবে বেশির ভাগ  এলার্জির ছাড়া  পেটের পীড়া জাতীয় সমস্যাই বেশী  দেখা যায়  । যদি ও  এন এইচ এসের  চাপ ছিল —  ফুড ক্যাটারিঙ্গের সবাই কে যেন  পূর্ণ ধারনা দেওয়া হয় –

কিন্তু এ সব বিষয় সবাইকে ট্রেনিং দেওয়া অত্য।ন্ত ব্যয় বহুল বিধায় ফাইভ স্টার সংলগ্ন রেস্টুরেন্ট ছাড়া অন্যান্য সকলের জন্য বাধ্যতা মুলক করা হয়নি – তারপর ও আগামীতে করা হতে পারে, তবে তা নিজ খরচে জানতে হবে — চাইলে নিচের লিখা থেকে কিছুটা অভিজ্ঞতা অথবা নিজে বাচার জন্য কিছুটা ধারণা নিতে পারেন যদি ও লিখা সমুহ মেডিক্যাল জার্নাল অনুসারে বা এফ ডি এর গ্রহন যোগ্য নীতিমালা অনুসারে )

 

যে ৮ টি খাবার সবচেয়ে বেশী ফুড এলার্জিক  ঃ

– গম জাতীয় যাবতীয় খাবার ( যাকে গ্লুটন যুক্ত খাবার বলা হয় — দুধ জাতীয় যাবতীয় খাবার ( ডায়রি প্রোডাক্টস ) — সয়া জাতীয় ( বিশেষ করে সয়া তৈল অথবা সস )- ডিম মিশ্রিত খাবার – সেলফিস ( সামুদ্রিক মাছ চিংড়ি, টুনা, কাঁকড়া, শামুক ) – ফিস ( টুনা, সারডিন বা সে জাতিয় ) তবে বাংলাদেশী মিঠা পানির অন্যান্য মাছ এলারজি টলারেন্স করেনা । নাট ( আলম্নড, সুলতানা বা সে জাতীয় তবে ডাল এর আওতায় পরেনা – FDA- ইউরোপ ) ( আমাদের বাসমতী চালে গ্লুটেনের পরিমান একেবারে নাই বলতে পারেন বা এলারজিক টলারেন্স শুন্য -০ )

 

বিস্তারিত ঃ

গ্লুটেন হচ্ছে আটা- ময়দা,ভুট্রা, বার্লি, চাল বা ঐ জাতীয় শস্যের সঞ্চিত একটি প্রোটিনের নাম (Triticum ) – গ্লুটেন প্রোটিন আবার দুটি অংশ– গ্লিয়াডিন এবং গ্লুটেনিন যা একি কম্পাউন্ডে মিস্রিত ।

মনে করতে পারেন , ইহা একধরণের আঠালো গ্লো জাতীয় পদার্থ । মানব দেহে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে একজন গ্লুটেনের পার্স প্রতিক্রিয়ার স্বীকার হয়ে থাকেন, যাকে আমরা সহজ ভাবে অন্ত্রের এলারজিক রিয়েকশন বা অন্ত্রের গ্লুটেন অসহিষ্ণুতা বলতে পারি – ( gluten sensitivity ) –

অর্থাৎ গ্লুটেন জাতীয় খাবার খাওয়ার পর সাথে সাথে ইহা কুদ্রান্ত্রের ভিলাই সমুহ সহ্য করতে পারেনা এলারজিক ট্রিগার করে বিধায় – তখন ভিলাই আক্রান্ত হওয়ার পর সেখানের সুক্ষ নরম পাতলা লাইনার সমুহ ক্ষতিগ্রস্থ অথবা চিঁড়ে যায় । যার ফলে কুদ্রান্ত্রের পুষ্টির শোষণ ক্ষ্যামতা কমে যায় এবং ক্রমান্বয়ে যখন ভিলাইয়ের ক্ষত বাড়তে থাকে তখন শরীরে মারাত্মক ভাবে পুস্টির ঘাটতি সহ অন্যান্য অসুখ দেখা দেয় -অর্থাৎ কুদ্রান্ত্রের পুষ্টি উপাদান শুষে নেওয়ার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। ফলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রদাহ এবং হজমে সহায়ক এনজাইমের স্বল্পতা সহ আর প্রায় ৩০০ ধরনের অসুখের সাথে লিঙ্ক করে অসুখ সমুহ বৃদ্ধি করে বা অনেক সময় গ্লুটেন অটোইমিউন ডিজিজের ও সৃষ্টি করতে পারে – ( রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এত বেশি সক্রিয় হয়ে যায় যে সে শরীরের সুস্থ কোষকেও আক্রমন করা শুরু করে। এ ধরণের রোগকেই অটোইমিউন ডিজিজ বলা হয় – যেমন- রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস )

 

নিম্নের লক্ষন সমুহ দেখা দিলে, ৮০% বেলায় গ্লুটেনের অসহিষ্ণুতা জনিত কারনে অসুখ টি হতে পারে বলে মনে করতে পারেন -( অসুখের ডায়াগনোসিস করে নিশ্চিত হওয়া না পর্যন্ত ) – গ্লুটেন ৩০০ টি অসুখের সাথে সম্পর্ক যোক্ত এবং সবচেয়ে বেশী সম্পর্ক যোক্ত  অসুখের নাম — ইর-রেগুলার ভায়েল সিন্ড্রোম বা অনিয়ন্ত্রিত পায়খানা  ——-( বিস্তারিত আই বি এস পর্বে  দেখুন )

 

১- হজমের সমস্যা জনিত ঃ

উদরের ব্যাথা – পেটে গ্যাসের সমস্যা , খাওয়ার পর পর বদ হজম জাতীয় ঢেকুর ( একনাগাড়ে বেশ কিছু দিন তা আবার খাওয়ার পর প্রায় ৩০ মিনিট পর্যন্ত ) ,বুক ঝালা পোড়া করা ( হাইপার এসিডিটির লক্ষন ) সপ্তায় ৪/৫ দিন খাওয়ার পর পর পায়খানায় যেতে হয় ( অভ্যাস গত কিছু কারন ছাড়া ) – কোষ্ঠকাঠিন্যতা সপ্তায় ২/১ দিন থাকবেই — ইত্যাদি ( তবে শিশুদের বেলায় গ্লুটেন জাতীয় খাবার খাওয়ানোর সাথে সাথেই কলিক ব্যাদনা সহ সাথে সাথেই পায়খানা করে ফেলে ) –

৯০% বেলায় আই ভি এস এর মুল সমস্যা এই গ্লুটেন থেকেই উৎপত্তি হয়ে থাকে । রিসার্চ অনুসারে দেখা যায় ঃ-

গ্লুটেন সেন্সেটিভিটির কারনে জিঙ্কের শোষণ ক্ষ্যামতা নস্ট হয়ে যায় ( জিঙ্ক মানব দেহের একটা অপরিহার্য খনিজ , যা ইমিউন সিস্টেম, হরমোন উৎপাদন, মস্তিষ্কের ফাংশন ( স্বাদ, গন্ধ ) ইত্যাদিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে থাকে – অনেক সময় অন্ত্রে গ্লোটন জমাট হওয়ার ফলে অন্ত্র কে ছিদ্র করে ফেলে তখন পায়খানার সাথে প্রায় রক্ত যেতে দেখা যায় , তখন চিকিৎসকরা কি কারনে অসুখটি হয়েছে তার কারন খুজে না পাওয়াই স্বাভাবিক । সে সময় অন্ত্রে অন্যান্য ব্যাক্টোরিয়া এবং ছত্রাক আক্রমণ করে বিধায় খুব বেশী তিব্র ব্যাথা ও দেখা দেয় – তখন চিকিৎসকরা লক্ষণের উপর ভিত্তি করে ঔষধ দিয়ে থাকেন বা সাথে সাথে অসুখটি কমে গেলেও পুনরায় আবার দেখা দেয় ( জীবাণু ঘটিত হলে অসুখ টি পুনরায় হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে ) – এভাবে পর্যায়ক্রমে অসুখ বৃদ্ধির ফলে ৯৫% বেলায় অন্ত্রে ক্যানসার হওয়ার ঝুকি আছেই । ( সুত্রঃ মেডিক্যাল সাইন্স এন্ড রিসার্চ )

 

২- ক্যারাটোসিস পিলারিস ( Keratosis Pilaris ) বা ‘মুরগির চামড়ার মত দানা দেখা দেওয়া ঃ-

পরীক্ষার দ্বারা প্রমান করা হয়েছে – যারা দীর্ঘ দিন ধরে গ্লুটেনের সমস্যায় আক্রান্ত তাদের সেকেন্ডারি রেজাল্ড হিসাবে শরীরের ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ডি এবং এ অভাব দেখা দিয়ে থাকে – অর্থাৎ কুদ্রান্ত্রে চর্বির শোষণ ক্ষ্যামতা গ্লুটেন নস্ট করে ফেলায় বাহুর দুই দিকের চামড়ায় অসংখ্য দান দানা কিছু চর্বি জমতে দেখা যায় (ক্যারাটোসিস পিলারিস ) – শিশু ও কিশোরদের বেলায় মারাত্মক পুস্টিজনিত অসুখের স্বীকার হয়ে থাকে – তাদের শরীর দেখতে একেবারে কঙ্কালের মত মনে হয় এবং ভিটামিন এ, ডি এর অভাব জনিত সকল লক্ষন সমুহ দেখা দেয় -( যদি ও সেই শিশু বা কিশোর খাবার ঠিক মতই খেয়ে থাকে )

 

৩- যদি গ্লুটেন জাতীয় খাবার খাওয়ার পর পর ই দেহে ক্লান্তি ভাব চলে আসে ( অনেকেই খাওয়ার পর শুয়ে থাকতে চায় ) বা সে সময় মাথায় ঘোরতেছে মনে হয় বা শরীরের ভারসাম্যতা সাময়িক সময়ের জন্য স্থবির থাকে ।

 

৪- ডায়াগনোসিস করতে গিয়ে যে কোন অটোইমিউন রোগ ধরা পরে – যেমন, রিউম্যাটয়েড আরত্রাইটিস বা বাত জাতীয় অসুখ , থায়রয়েড জনিত সমস্যা বা প্রদাহ , আলসারেটিভ কোলাইটিস ( অন্ত্রের প্রদাহ বা ঘা ) , একাধিক স্ক্লেরসিস , সোরাইসিস ইত্যাদি – অথচ এ ধরনের যে কোন অসুখের পিছনের মুল কারন গ্লুটেন – যদি গ্লুটেন ফ্রি কিছু করা না হয় তা হলে অসুখের জন্য ড্রাগস সেবন করার পর অসুখ কমলে ও কিছু দিন পর গ্লুটেন জাতীয় খাবার খাওয়ার কারনে পুনরায় আগের মত অসুখ দেখা দেয় ।

নিউমারাস স্টাডিতে দেখানো হয়েছে গ্লুটেন সেন্সিটিভিটির কারনে কুদ্রান্ত্রের ক্যালসিয়াম শোষণ ক্যামতা কমে যায় । যারা দীর্ঘ দিন গ্লুটেনের সমস্যায় আক্রান্ত তাদের হাড়ের ক্ষয় সহ অন্যান্য অসুখ দেখা দিয়ে থাকে বা অনেক সময় অস্তিমজ্জার ক্যানসার হওয়ার সম্বাভনা আছে ।

 

৫- মহিলাদের বেলায় ঃ– হরমোনের ভারসাম্যতার পরিবতনে PMS ( ফ্রি মেন্সট্রুয়েল সিন্ড্রম ) , PCOS ( পলিসিস্টিক ওভারিয়েল সিন্ড্রোম ) অথবা কারন ছাড়া বন্ধ্যাত্ব দেখা দিতে পারে । ৯০% মহিলার ওভারী ও ফলিকল টিউবে অনিয়ন্ত্রিত চর্বি দেখা দেয় বিধায় বিনা কারনে গর্ভপাত, এমোনেরিয়া, আর্লি- মেনোপুজ, ইত্যাদি স্রি-রোগ জাতীয় অসুখ সমুহ দেখা দেয় ।

রিসার্চ অনুসারে যে সকল মহিলা দীর্ঘ দিন গ্লুটেন ফ্রি খাবার খেয়ে থাকেন এবং স্থায়ি অন্য কোন অসুখ না হয় , তা হলে অনেক সময় এমনিতেই উক্ত মহিলার সন্তান ধারন ক্যামতা পুনরায় পিরে আসে ( আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে একটা বিষয় মনে করিয়ে দেই- উক্ত মহিলা কে দেখতে খুব মোটা সোটা বা মেদ ভুড়ি দেখালেও রক্তে হিমোগ্লুবিনের অভাব থাকবেই ) অন্যতায় হাজার ঔষধ সহ যে কোন ধরনের চিকিৎসা করালেও সঠিক রিজাল্ড পাওয়ার আসা করা ঠিক নয় ।

৬-ঃ- কারন ছাড়া মাইগ্রেন জাতীয় অসুখ দিতে পারে – অথবা ব্রেইন ওয়েভ এবনরমালিটিস দেখা দিতে পারে ।

৭– পুরাতন মাংসপেশির অজানা ব্যাথা, ( fibromyalgia ) , ক্লান্তি , জোড়ার ব্যাথা, ( বিশেষ করে আঙ্গুল ও হাটুর জোড়ায় ব্যাথা ) বা আর ও অনেক কারন ছাড়া মানসিক অসুখ দেখা দিতে পারে – যা লক্ষন অনুসারে রোগ ডায়াগনোসিস করতে গিয়ে মুল সমস্যার কথা অজানাই থেকে যায় – বিশেষ করে চিকিৎসকরা অসুখের পিন পয়েন্ট নির্ণয় করতে ব্যাথ হয়ে থাকেন বিধায় রোগীদের চিকিৎসকের প্রতি আত্ত বিশ্বাস অনেকে হারিয়ে পেলেন ।

গ্লুটেন এবং ডায়াবেটিস ঃ- বর্তমান রিসার্চ অনুসারে ডায়াবেটিস টাইপ-১ এবং টাইপ-২ দুটিতেই ডায়াবেটিসের লিঙ্ক আছে তা সুস্পষ্ট – সে কারনে সেলিয়াক ডিজেজ ও ১০% বেলায় বংশগত কারনে হতে পারে । গ্লুটেন ফ্রি ডায়েটের ( GFD) এর মাধ্যমে ডায়াবেটিস টাইপ-১ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্বভ বা কোন ঔষধের প্রয়োজন হয়না ।

 

 

কি কি খাবারে বেশী মাত্রায় গ্লুটেন পাওয়া যায়  ঃ-

শস্য জাতীয় ঃ- ময়দা বা গম জাতীয় যাবতীয় খাবার ( রুটি, চাপাতি , পরোটা, বিস্কুট ,কেক্‌ পেস্ট্রি ইত্যাদি ) — বার্লি — ফারিনা– গ্রাম ফ্লাওয়ার — সুজি- বাদাম চালের পান্থা ভাত– নুডুলস — কুকিস ব্রেড — পিজা, বিরুনি চাল ও যাবতীয় গ্রাম ফ্লাওার যুক্ত ফাস্ট ফুড ।

( মাংশ বা মাছ যদি ও গ্লুটেন ফ্রি কিন্তু বাটারে ভেজে নিলে অথবা ব্রেডগ্রাম মিস্রিত করলে , অথবা অতিরিক্ত স্পাইসে ভেজে নিলে তখন আর গ্লুটেন ফ্রি থাকেনা বরং কোড-৩ গ্লুটেনের মাত্রায় চলে আসে । )

 

অন্যান্য যে সকল খাবার ও ব্যাবহার সামগ্রীর সাথে গ্লুটেনের লিঙ্ক আছে ঃ-

মল্ট – সুপ – প্রক্রিয়াজাত পনির– মেয়নেজ — কেচাপ– মল্ট ভিনিগার — সইয়া সস — কাঁকড়া , চিংড়ি , বেকন, ডিম দিয়ে প্রস্তুত যে কোন খাবার– দুধের ননি– ভাজা সবজি / tempura– এনার্জি ড্রিংক — রোস্টেড নাট — কিছু ঔষধ ( ভিটামিন এবং সাপ্লিমেন্টরি জাতীয় কিছু ঔষধ ) – প্রাকৃতিক মসলা ( স্পাইস ) –বাদামী চালের পান্থা ভাত বা মাড়– হাইড্রলাইজ উদ্ভিজ্জ প্রোটিন (HVP)– হাইড্রলাইজ সয়া সস প্রোটিন– কিছু প্রসাধনী সামগ্রী (- লিপস্টিক ) ও ভিটামিন ই সাথে গ্লুটেনের লিঙ্ক আছে —

গ্লুটেন সেন্সিটিভিটির কারনে যে কোন অসুখের তীব্রতা মনে করলে বাজার থেকে গ্লুটেন-ফ্রি টেস্ট কিট কিনে নিজেই পরীক্ষা করে নিতে পারেন – অথবা প্রাথমিক অবস্থায় ( অন্ত্রের যে কোন অসুখে ২/৩ সপ্তাহ গ্লুটেন যোক্ত খাবার না খেয়ে ও দেখতে পারেন ) – মনে রাখবেন যদি গ্লুটেনের কারনে দীর্ঘ মেয়াদী অসুখে ভোগেন তাহলে চিরস্থায়ী গ্লুটেন যুক্ত খাবার পরিহার করতেই হবে –নতুবা সারা পৃথিবীর ঔষধ সেবন করলে কোন কাজ হবেনা — —

 

How to test for gluten intolerance? http://www.boots.com/en/AniBiotech-Biocard-Celiac-Test_52112/

গ্লুটেন ২য় পর্বে সেলিয়াক  ডিজেজ নিয়ে জানতে পারবেন —————

 

ধন্যবাদ ঃ ( ডাঃ হেলাল কামালি )

Ref From : School of uni Bristol — NHS ( UK ) — FDA & Food Slandered Agency ( UK ), Govt Coeliac Disease Research Inst ( UK )-nutritional Science & Research ( UK ) —

 

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

ক্যাটাগরি

আপনার অভিমত

shaharparabd on ঘুম – ১ম পর্ব

আর্কাইভ

স্বাস্থ্য

%d bloggers like this: